শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সত্তরেও থেমে নেই কটিয়াদীর বৃদ্ধ হাবিবুরের জীবনযুদ্ধ

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২:০৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

বয়সের ছাপ শরীরে স্পষ্ট হাবিবুর রহমানের। ৭০ ছুঁই ছুঁই বয়সের ভার নিয়েও থেমে নেই তার জীবন সংগ্রাম। যে বয়সে থাকার কথা বিশ্রামে, সেই বয়সে সূর্য ওঠার সঙ্গে তাকেও বের হতে হয় জীবিকার তাগিদে। অভাব যে তাকে থামতেই দিচ্ছে না।দীর্ঘ ৪ যুগ ধরে গাছ ছাঁটাই করেই কোনো মতো চলছে তার সংসার। 

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের মধ্য ফেকামারা বড়-বাড়ি গ্রামের বৃদ্ধ হাবিবুর রহমান হাবু। গাছ ছাঁটানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। তবুও কখনো হাত পাতেননি কারো কাছে।বুকে চাপা দুঃখকে সঙ্গী করে এমন কঠিন কাজ করেই চলেছেন তিনি।  

এলাকাবাসীরা জানান, প্রতিদিন সকালে একটি বাইসাইকেল নিয়ে কাজের খুঁজে বের হন তিনি। কোনোদিন কাজ মিলে আবার কখনো কাজ না পেয়ে মলিন মুখেই বাড়ি ফিরে আসতে হয়। এভাবেই দীর্ঘ চার যুগের বেশি সময় ধরে চলছে তার গাছ ছাঁটানোর কাজ। হাবিবুরের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। ছেলেরা আলাদা থাকেন। ভবঘুরে স্বভাবের ছেলেরা তাদের পিতার খোঁজ নেন না। দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন বৃদ্ধ হাবিবুর। কিছুদিন আগে এক মেয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত হয়। চিকিৎসার পেছনে জমানো সব পুঁজি শেষ করেও ভালো করতে পারছেন না। এলাকার মানুষ এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে নিষেধ করলেও এই কাজ ছাড়া তো উপার্জন বন্ধ হবে। তাই পেটের দায়ে এই কাজই করতে হচ্ছে তাকে। 

বৃদ্ধ হাবিবুর রহমান হাবু বলেন, এই বয়সেও আমি সরকারি বয়স্ক ভাতাসহ কোনোরকম সুবিধা পাচ্ছি না। মেম্বারের পেছনে ঘুরেও কাজ হয় না। শেষ বয়সে ইচ্ছে হয় একটু আরাম করতে। কিন্তু পুঁজি ছাড়া তো কোনো কিছু করাও সম্ভব নয়। 

তিনি বলেন, একটি দোকান আর কিছু পুঁজি পেলে শেষ সময়টা বসে কাটাতে পারতাম। এখন শরীর আর কুলোয় না। যেকোনো সময় অঘটন ঘটতে পারে, তবুও নিরুপায় হয়ে কাজ করি।

জালালপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, শিগগিরই এই সংগ্রামী বৃদ্ধকে বয়স্ক ভাতার আওতায় নিয়ে আসব। এ ছাড়াও আমার পরিষদের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহায়তা করা হবে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

 

কিশোরগঞ্জ

শেয়ার করুন: