শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মান্দায় প্রাচীন বটগাছে দর্শনার্থীদের ভিড়, পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

নওগাঁর মান্দা উপজেলার ২ নং ভালাইন ইউনিয়নের বৈলশিং গ্রামের বিলের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাচীন একটি বটগাছ এখন স্থানীয়দের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এই গাছটি বিশেষ করে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহাসহ বিভিন্ন ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বিশাল আকৃতির এই বটগাছটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার ঐতিহ্যের অংশ। এর বিস্তৃত ছায়া ও মনোরম পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করে। তবে পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকায় দর্শনার্থীদের নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, গাছটিকে ঘিরে পরিকল্পিত উন্নয়ন করা হলে এটি জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্রে রূপ নিতে পারে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আব্দুল মতিন মাল বলেন, এটি আমাদের এলাকার একটি মূল্যবান সম্পদ। এখানে একটি স্থায়ী শেড ও বসার আধুনিক ব্যবস্থা করা হলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারবেন।

সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব লোকমান আলী হাজারী বলেন, শিক্ষার্থীরাও এখানে প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে আসে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছটির গুরুত্ব অনেক। চারপাশ পাকা করা, বসার ব্যবস্থা ও আলোকসজ্জা এখন সময়ের দাবি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার ইসলাম খোকন বলেন, “প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি একটি শান্তির জায়গা। কিন্তু দুর্যোগের সময় আশ্রয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো জরুরি।”

ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের অভাব রয়েছে। পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এসব মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

দর্শনার্থী মুজাহিদ হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে এখানে মানুষের আগমন বেড়েছে। তবে রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন।

আরেক দর্শনার্থী আব্দুল লতিফ বলেন, এটি স্থানীয়দের প্রধান বিনোদনকেন্দ্র। সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি ছোটখাটো দোকান বা স্টল তৈরি করা হলে এলাকার অর্থনীতিও সচল হবে।

স্থানীয়দের মতে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সামান্য উদ্যোগেই বৈলশিংয়ের এই প্রাচীন বটগাছটি উত্তরবঙ্গের একটি আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

দর্শনার্থীআনোয়ার ইসলাম খোকন

শেয়ার করুন: