শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কলারোয়ায় গ্রাহকের দুইকোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৬ জুন ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে গ্রাহকদের দুইকোটি টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা হওয়া আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের গ্রেফতার এবং টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার (৬ জুন) বেলা ১১টায় কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ওই প্রতিষ্ঠানে টাকা রেখে প্রতারিত হওয়া প্রায় শতাধিক গ্রাহক এ অভিযোগ করেন। 

মানববন্ধনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন,অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক, জাহানারা খাতুন, আব্দুস সাত্তার, সাবিনা খাতুন প্রমুখ। 

বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে ২০১২ সালে কলারোয়া থেকে ১৩৬ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় দুইকোটি ২৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক সবুজ। ২০১৩ সাল থেকে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও গ্রাহকদের একটি টাকাও ফেরত না দিয়ে চম্পট দেয় প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে ছোটাছুটি করেও কোন টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। 

ভুক্তভোগী জাহানারা খাতুন বলেন, মেয়ের বিয়ের জন্য তীল তীল করে ৪লক্ষ টাকা জমিয়েছিলাম। সে সময় প্রতারক ওমর ফারুক সবুজ  ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের প্রলোভনে পড়ে সমুদয় টাকা আল আমিন ফ্যাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রতিষ্ঠানে জমা রেখেছিলাম। কিন্তু ওই প্রতারক প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিনেও টাকাগুলো ফেরত দেয়নি। 

হোটেলের কর্মচারী স্বামী বিধবা সাবিনা খাতুন বলেন, হোটেল শ্রমিকের কাজ করে জমানো ৬৩ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে ওই প্রতারক প্রতিষ্ঠান। আমি পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। অসুস্থ্য হওয়ার পরেও ঔষধ কিনে খেতে পারি না। আমি আমার টাকা ফেরত চাই। সাথে সাথে ওই প্রতারকদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।  

এবিষয়ে অভিযুক্ত ওমর ফারুক সবুজের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ওই টাকা হেড অফিসে জমা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি চালু আছে না বন্ধ হয়ে গেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন জমি ক্রয় করতে গিয়ে বন্ধ করে দিয়েছি। তবে এটার দায় স্থানীয় কর্মচারী আবু সাঈদ সবুজের। 

তবে আবু সাঈদ সবুজ বলেন গ্রাহক টাকা পাবে। কিন্তু পাওনা টাকার অংকটা কম। এত টাকা হওয়ার সুযোগ নেই। গ্রাহক পাবে ২৬ লক্ষ টাকা।  ইতোমধ্যে কিছু টাকা পরিশোধও করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া আমি তো কর্মচারী ছিলাম মাত্র।

ভোরের আকাশ/ র.ই

 

 

আরও পড়ুন

৪০ যাত্রীর জীবন বাঁচাতে নিজের প্রাণ দিলেন বাস হেলপার দুলাল

 

 


 

লাপাত্তাআবু বকর সিদ্দিক

শেয়ার করুন: