শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কোনো দেশে জনগণ যদি শঙ্কায় বাস করে, সেটা চরম মানবধিকার লঙ্ঘন: সুলতানা কামাল

নাটোর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫, ৭:০২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলেছেন,‘ কোনো মানুষ যদি মনে করে তার মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত হচ্ছে না, সেটা মানবধিকারের চরম লঙ্ঘন। এ দেশ হবে সাম্যের দেশ, না হলে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে। দেশ হবে ন্যায় বিচারের এবং মানবিক মর্যাদার দেশ। কোনো দেশে জনগণ যদি শঙ্কায় বাস করে, সেটা চরম মানবধিকার লঙ্ঘন হয়।’

সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে নাটোর জেলা পরিষদ অডিটেরিয়ামে আয়োজিত ‘সমতল আদিবাসী’ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতানা কামাল বলেন, ‘সরকার কেন ভুলে যান, তারা দেশের মালিক নন। দেশের মালিক হলো জনগণ। জনগণকে হেফাজত করতেই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ক্ষমতায় বসায়। একটি রাষ্ট্র জনগোষ্ঠী তৈরি করে না, জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রকে পরিচয় দেয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনা করে। তারা অন্যায়ভাবে বলার চেষ্টা করেন, তুমি বা সে। তুমি সে ওই এসব বলার অধিকার কিন্তু রাষ্ট্রের নেই।’  

ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীকেকে নিয়ে সুলতানা কামাল বলেন, ‘যদি আপনাকে কেউ বলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, এটা অন্যায়ভাবে বলেন এবং তাদের এটা বলার কোনো অধিকার নেই। আপনারা যেভাবে যুগ যুগ ধরে পরিচয় দিয়ে এসেছেন জন্মগতভাবে সেভাবেই পরিচয় দেবেন। ক্ষুদ্র একটি আপেক্ষিক শব্দ। এটা কোনো মানুষের পরিচয় হতে পারে না। যারা সংবিধান রচনা করেন তারা তো অনেক উচ্চ ব্যক্তি। তারা কিভাবে সংবিধানে এ ক্রুটিগুলো লিখেন। যত দিন সংশোধন না হয়, সংবিধানে কোনো ব্যক্তি বা কোনো জনগোষ্ঠীর নামে বৈষম্য থাকা যাবে না। আমরা ত্রুটি সংশোধনের দাবি জানাই।’

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট’-এর প্রধান নির্বাহী জিন্নাত আরা হক, ক্রিশ্চিয়ান এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর নুজহাত জাবিন, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নীলা হাফিয়া, পিকেএসএস-এর নির্বাহী পরিচালক ডেইজি আহমেদ, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের নেতা আশিকচন্দ্র বানিয়াজ, আদিবাসী কমিউনিটি সদস্য লাবনী এক্কা, মাধবী রাণী প্রমুখ।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

নাটোরসুলতানা কামাল

শেয়ার করুন: