জেলে-আড়তদার-মালিকরা
পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে ট্রলার ভর্তি ইলিশ উঠলেও লাভের মুখ দেখছেন না

বরগুনার পাথরঘাটায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। মৌসুমের শেষ দিকে ইলিশ ধরা পড়েছে, কিন্তু জেলে, আড়তদার ও ট্রলার মালিকরা তা বিক্রি করেও লাভবান হচ্ছেন না। মৌসুমের শুরুতে মাছ না পাওয়ায় এখন পর্যন্ত লোকসানই বেশি। ফলে জেলেরা ও তাদের পরিবারগুলো দিন কাটাচ্ছে দুঃখ-কষ্টের মধ্যে।
ট্রলার মালিক নূর মোহাম্মদ ফরাজী বলেন, “একটি ট্রলার বাজার সদাই করে সাগরে পাঠাতে খরচ হয় তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা। কোনো ট্রিপে চার লাখ টাকার মাছ বিক্রি হয়, আবার কোনো ট্রিপে আড়াই লাখেরও কম। মাঝে মাঝে পাঁচ লাখের বেশি উঠলেও বাকি ট্রিপের লোকসান পুষিয়ে ওঠে না।”
পাথরঘাটা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, “মৌসুম শেষে হিসাব মেলাতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, খরচের তুলনায় আয় কম। অনেকে দাদনের টাকা শোধ করতেই হিমশিম খাচ্ছেন। পরিবারও এই চাপ নিয়ে দিন কাটাচ্ছে।”
পাথরঘাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক জানান, “শুরুতে ইলিশ ধরা কম হলেও সাম্প্রতিক সময়ে ঘাটে ইলিশ আসা বেড়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় শিগগিরই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। তবে সঠিক সময় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।”
স্থানীয় জেলেরা বলছেন, মৌসুমজুড়ে লোকসান সামলে টিকে থাকতে হলে নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি সহায়তা দ্রুত তাদের হাতে পৌঁছানো জরুরি।
ভোরের আকাশ/এসএইচ