হাম প্রতিরোধে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় একযোগে টিকাদান শুরু : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হাম প্রতিরোধে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত হয়েছে,হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দেশের ৩০টি উপজেলার উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় একযোগে জরুরি হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। রোববার সকালে ঢাকার নবাবগঞ্জে আয়োজিত টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পরীক্ষা অনুযায়ী হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে শিশুদের টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে। প্রথম ধাপে ৫ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে।
আগে যারা নিয়মিত টিকা পায়নি, তারাও এই কর্মসূচির আওতায় টিকা নিতে পারবে। এমনকি যারা ইতোমধ্যে টিকা নিয়েছে, তারাও ঝুঁকি বিবেচনায় পূনরায় এই কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি অভিভাবকদের শিশুদের নির্ধারিত সময়ে টিকা কেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন সংসদে ঢাকা-১ আসনের এমপি খন্দকার আবু আশফাকের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রবিবার সকালে নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে হাম ও রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন বলেন, আপনারা যে এমপি পেয়েছেন তিনি অনেক জনপ্রিয় নেতা তার দাবি কি না করা যায়, আমরা তার দাবিটি বিবেচনায় রেখেছে। আশা করছি তার মাধ্যমে এই অঞ্চলে উন্নয়ন হবে।
নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সেখানে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৪ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক জাহিদ রায়হান, নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা ইসলামসহ আরও অনেকে।
ভোরের আকাশ/ র.ই