শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ক্রেতাশুণ্য পশুর হাট

বৃষ্টিতে দুর্ভোগ পিরোজপুরের গরু ব্যবসায়ীরা

‎পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২ জুন ২০২৫, ৯:১৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
বৃষ্টিতে দুর্ভোগ পিরোজপুরের গরু ব্যবসায়ীরা
বৃষ্টিতে দুর্ভোগ পিরোজপুরের গরু ব্যবসায়ীরা

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে পিরোজপুরের বিভিন্ন স্থানে পশুর হাট জমে উঠতে শুরু করলেও হঠাৎ ভারী বর্ষণে বিপাকে পড়েছেন গরু ব্যবসায়ীরা।  সোমবার (২ জুন) সকাল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে গরু নিয়ে আসা বেপারীদের পড়তে হয়েছে নানা দুর্ভোগে।  পাশাপাশি বৃষ্টির কারণে ক্রেতাশুণ্য হয়ে পড়েছে হাটগুলো।  এতে একদিকে যেমন গরুগুলো জুবুথুবু অবস্থায় দাঁড়িয়ে, অন্যদিকে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে দুর্বিষহ সময় পার করছেন বেপারীরাও।
‎
‎সরেজমিনে পিরোজপুর সদর উপজেলার পাঁচপাড়া কোরবানির হাট ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টির কারণে হাটে আসা গরুগুলো ভিজে যাচ্ছে।  অনেক জায়গায় নেই পর্যাপ্ত ছাউনি বা আশ্রয়ের ব্যবস্থা।  ফলে হাটজুড়ে দেখা গেছে গরু ও বেপারীদের দুরবস্থা।  কেউ ছাতা মাথায় দিয়ে গরুর পাশে দাঁড়িয়ে আছেন, কেউ আবার সাময়িক ছাউনির নিচে ঠাঁই নিয়েছেন।
‎
‎এদিকে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলছেন, বৃষ্টির কারণে হাটে ক্রেতার উপস্থিতি একেবারেই কম।  ফলে গরু বিক্রি নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।  পাঁচপাড়া হাটে প্রতিবছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রচুর গরু কেনাবেচা হয়।  কিন্তু আজকের মতো এমন দুরবস্থা দীর্ঘদিন দেখা যায়নি।
‎
‎নজরুল ইসলাম ডালিম নামে এক গরু ব্যবসায়ী বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে ৭টি গরু কিনে এনে পাঁচপাড়া হাটে এসেছি, কিন্তু বৃষ্টিতে ক্রেতা নেই, আর গরুগুলোও কষ্ট পাচ্ছে।  হাটে মোট ১৩ লাখ টাকার গরু আনছি।  ক্রেতারা দাম না বলেই চলে যাচ্ছে।  এ অবস্থায় ক্ষতির শঙ্কায় আছি।
‎
সোহেল শেখ নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, দুই দিন আগে নাজিরপুরের একটি গ্রাম থেকে ৮টা গরু কিনে আজ হাটে তুলেছি।  বৃষ্টিতে গরুগুলা একদম কাঁপছে, কেউ দেখতেও আসছে না।  বিক্রি না হলে তো লস হবেই, গরুরও কষ্ট হয়।
‎
মৌসুমি ব্যবসায়ী মো. রবিউল হোসেন বলেন, এবার ক্রেতা কম।  এই হাট থেকে ৫টা গরু কিনেছি।  লাখ টাকার নিচে সব গরু।  খরচ নিয়ে ৫ লাখ টাকা পড়তে পারে মোট।  অন্য হাটে বিক্রি করবো।  আবহাওয়া আর ক্রেতার সংখ্যা এমন হলে কতদূর লাভ হয়, বলা যায় না।
‎
‎পাঁচপাড়া হাটা গরু কিনতে এসেছিলেন মো. সোবাহান মিয়া।  তিনি বলেন, কাদায় হাঁটা এবং গরু দেখা সম্ভব না হওয়ায় বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।  আগামীকাল নাজিরপুরে হাট আছে, বৃষ্টি না থাকলে সেখানে যাব।
‎
‎এদিকে চলমান আবহাওয়া ও বৃষ্টির পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে পশুর হাটগুলোতে ঈদের কেনাকাটায় বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
‎
‎পাঁচপাড়া হাটের ইজারাদার দায়িত্বে থাকা মো. কবির হোসেন বলেন, আজ হঠাৎ করেই বৃষ্টি শুরু হওয়ায় হাটে কিছুটা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে।  তবে ব্যবসায়ীদের কষ্ট যেন কম হয় এবং ক্রেতারা যেন নির্বিঘ্নে গরু দেখতে পারেন সেজন্য আমাদের টিম কাজ করছে।

ভোরের আকাশ/জাআ

শেয়ার করুন: