শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বসন্তের ছোঁয়ায় ভাঁটফুলের অপূর্ব সাজ দৃষ্টি কেড়েছে পথিকদের

নান্দাইল প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বসন্তের আগমনে যেন নতুন রঙে সেজেছে প্রকৃতি। চারদিকে যখন পলাশ, শিমুল আর নানা বুনো ফুলের রঙিন সমারোহ- তখন ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের মুরাইল বিলের পশ্চিম পাশে- নান্দাইল টু জাহাঙ্গীরপুর সড়ক ঘেঁষে মকবুল হোসেনের ফিশারীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া পাকা সড়কের দুই পাশে ফুটে থাকা ভাঁটফুল যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব সাজ।

শীতের শেষ আর বসন্তের শুরুতেই গ্রামীণ বাংলার আনাচে-কানাচে, রাস্তার পাশে ও জলাশয়ের ধারে কিংবা ঝোঁপঝাড়ের মাঝে অযত্নে-অবহেলায় ফুটে ওঠে এই ফুল। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, প্রকৃতি যেন নিজ হাতে সাজিয়ে দিয়েছে সাদা-বেগুনি রঙের বিশাল এক ফুলের তোড়া। স্থানভেদে এ ফুলের নাম ভাঁটফুল, ভাঁটফুল, ঘেটুফুল, বা ঘণ্টাকর্ণ। তবে নান্দাইলের জাহাঙ্গীরপুরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে এটি ‘ভাটিফুল’ নামেই বেশি পরিচিত। সাধারণত ফাল্গুনের শেষ থেকে চৈত্রের শুরুতেই এ ফুল ফোটতে শুরু করে এবং বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম পর্যন্ত এর সৌন্দর্য ছড়িয়ে থাকে।

ভাঁটগাছের প্রধান কাণ্ড সোজাভাবে দাঁড়িয়ে থাকে এবং সাধারণত ২ থেকে ৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এর পাতা দেখতে কিছুটা পানপাতার মতো, আকারে ৫ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা এবং কিছুটা খসখসে। ডালের শীর্ষে পুষ্পদণ্ডে ফোটে সাদা রঙের ফুল, যার পাপড়িতে থাকে বেগুনি রঙের আভা। ফুলগুলো থেকে ছড়িয়ে পড়ে মিষ্টি সৌরভ, যা সহজেই পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মৌমাছিরাও এই ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে।

গ্রামের মেঠোপথের ধারে, পতিত জমিতে, উঁচু বনজঙ্গলে কিংবা ঝোপজারের পাশে প্রাকৃতিকভাবেই জন্মায় এই বুনোফুল। ইংরেজিতে একে বলা হয় Hill Glory Bower এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম Clerodendrum viscosum। এটি ল্যামিয়াসি (Lamiaceae) পরিবারের একটি উদ্ভিদ এবং বাংলাদেশের পরিচিত বুনোফুলগুলোর অন্যতম।

স্থানীয় সাংবাদিক এমদাদুল হক বলেন-ভাঁটফুলের সঙ্গে আমার ছোটবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ছোটবেলায় আমরা এই ফুলের পাপড়ি ছিঁড়ে পানিতে ফেলতাম, তখন পাপড়িগুলো ঘুরতে থাকত-দেখতে খুব ভালো লাগত।

কলেজ ছাত্র তানভীর আহমেদ সরকার  জানায়, ফাল্গুন মাস এলেই প্রকৃতিতে ভাঁটফুল ফুটে ওঠে। এতে পরিবেশে নতুন এক মাত্রা যোগ হয়। বসন্তের আগমনে পলাশ-শিমুলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এই ফুল ফোটে। বিশেষ করে রাস্তার দুপাশ, পরিত্যক্ত মাঠ, বন কিংবা জলাশয়ের পাশে এই ফুল বেশি দেখা যায়। 

তবে স্থানীয়দের মতে, আগের তুলনায় বর্তমানে ভাঁটফুলের সংখ্যা কিছুটা কমে গেছে। তবুও বনে-বাদাড়ে অযত্নে ফুটে থাকা এই ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না। বসন্ত এলেই প্রকৃতির নীরব সৌন্দর্যের বার্তা নিয়ে ফুটে ওঠে বুনো ভাঁটফুল।

ভোরের আকাশ/নি

নান্দাইল

শেয়ার করুন: