শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সংস্কারের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রী শ্রী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির

চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

দূর্গাপুরে  শ্রী শ্রী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির দীর্ঘ ৪৫ বছরের ঐতিহ্য বহন করে আসছে। ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি বাগেরহাটের  চিতলমারী উপজেলার দূর্গাপুর এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উপাসনালয় হিসেবে পরিচিত।

কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে মন্দির ভবনটি বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দেয়ালের ইটের মধ্যে লবণাক্ততা দেখা দেওয়ায় প্লাস্টার খসে পড়ছে এবং বিভিন্ন স্থানে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভবনের স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি গোরাচাঁদ ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক মহাদেব হুই  জানান, আর্থিক সংকটের কারণে সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রাহুল ঘোষ বলেন, “মন্দিরটি শুধু পূজা-অর্চনার স্থান নয়, এটি আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেরও কেন্দ্র। দ্রুত সংস্কার না করলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। সরকারি সাহায্য পেলে আমরা দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করতে পারবো।”

এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিরা যেন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। তা না হলে ঐতিহ্যবাহী এই মন্দিরটি অচিরেই আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

ভোরের আকাশ/আ.র

শ্রী শ্রী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির

শেয়ার করুন: