শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দিনাজপুরে কৃত্রিম সংকটে বেড়েছে সারের দাম

দিনাজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

মাঠে সোনার ফসল ফলানোর স্বপ্ন নিয়ে যখন কৃষকের ব্যস্ত থাকার কথা, তখন রোদে পুড়ে সারের জন্য হাহাকার করছেন উত্তরের জনপদ দিনাজপুরের চাষিরা। সদর উপজেলার কমলপুর ইউনিয়নে বোরো মৌসুমের শুরুতেই সারের কৃত্রিম সংকট, বাধ্যতামূলক 'প্যাকেজ' সিস্টেম এবং অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন শত শত কৃষক। 

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ক্ষুব্ধ কৃষকদের তোপের মুখে বিসিআইসি ডিলার ও কৃষি কর্মকর্তা সটকে পড়তে বাধ্য হয়েছেন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে কমলপুর ইউনিয়নের বিসিআইসি অনুমোদিত ডিলার 'সোনালী ফসলে' সার বিতরণের কথা থাকলেও শুরুতেই বাধে বিপত্তি। হাজারো কৃষক লাইনে দাঁড়ালেও ডিলার আব্দুল্লাহ আল মামুন পর্যাপ্ত সার নেই বলে রশিদ কাটতে শুরু করেন। এতেই ফুঁসে ওঠেন কৃষকরা। 

উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে সকাল ১১টার দিকে ডিলার মামুন এবং সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান অফিস ফেলে পালিয়ে যান। ভুক্তভোগী নারী কৃষক শরিফা খাতুন জানান, সকাল ৭টা থেকে দাঁড়িয়ে আছি, দুপুর ১টা বাজলেও সার পাইনি। ১০ বিঘা চাষ করি, অথচ সারের নামে তামাশা চলছে।

কৃষকদের অভিযোগ থেকে জানা গেছে এক ভয়াবহ সিন্ডিকেটের চিত্র: প্রয়োজন না থাকলেও ১ বস্তা টিএসপি বা পটাশের সাথে বাধ্যতামূলক ৩ বস্তা ইউরিয়া নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। ১ বিঘা আর ২০ বিঘা জমির মালিককে দেওয়া হচ্ছে একই পরিমাণ সার, যা চাষিদের জন্য চরম অবমাননাকর। 

সরকারি দামের চেয়েও বাইরে ২০০-৫০০ টাকা বেশি দিলে সার মিলছে ঠিকই, কিন্তু ডিলার পয়েন্টে 'নেই' অজুহাত। ট্রাকে করে আসা সার কৃষকের দোরগোড়ায় না পৌঁছে কোথায় যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

ঘটনার বিষয়ে জানতে সদর উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মাসুদ তুষারের সাথে যোগাযোগ করা হলে বেরিয়ে আসে আরও বিস্ফোরক তথ্য। তিনি প্রথমে 'সরবরাহ নেই' বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে তার অফিসে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে কৃষি অফিসারের পিয়ন জনৈক সাংবাদিকের হাতে একটি টাকার খাম ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কৃষি অফিসারের পক্ষ থেকে এই 'ঘুষ' দেওয়ার চেষ্টা পুরো অনিয়মকে এক ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গেছে।

ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদসহ স্থানীয় কৃষকদের দাবি ডিলার মামুন, সাব-ডিলার আবুল কালাম এবং কৃষি কর্মকর্তা শাহিনুরের যোগসাজশেই এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। খোলা বাজারে সার পাওয়া গেলেও ডিলার পয়েন্টে কেন সংকট, তার কোনো সদুত্তর মেলেনি।

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

সারের দামশাহিনুর রহমান

শেয়ার করুন: