যমুনা সার কারখানায় দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকদের প্রবেশে বাঁধা

দেশের সর্ববৃহৎ দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তারাকান্দি যমুনা সার কারখানার দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকদের প্রবেশে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ পাওয় গেছে।
রবিবার (২৪ জুন) কারখানার প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে কারখানার বিভিন্ন শাখায় কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় ও কারখানা প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, যমুনা সার কারখানার বিভিন্ন বিভাগে দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকদের গত (২৪ জুন) কারখানায় প্রবেশে বাধা, মারধোর এবং হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠে। শ্রমিকদের মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পক্ষে কারখানার এমডি গত (২৫ জুন) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশনের কর্মচারী প্রধানের নিকট পরিস্থিতি প্রতিবেদন জমাদেন।
প্রতিবেদনে বলাহয়, গত ২৪ জুন সকালে দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিকদের কারখানায় প্রবেশে বাধা দেয় বহিরাগত প্রভাবশালী লোকজন। কারখানার প্রধান ফটক থেকে ৫শত মিটার দুরে কলোনী গেটের বাইরে বাজার সংলগ্ন, ইসলামী ব্যাংকের মোড়, ট্রাক ষ্ট্যান্ড এলাকায় ডুরিয়ার ভিটা গ্রামের মোতালেব, মনজু, ভোলা, চেচিয়াবাধা গ্রামের মিলন, কান্দার পাড়া গ্রামের মুক্তিল, আজাদ, সেজনু, খশরু, জুলহাস, বজলু, শাহীনসহ বহিরাগত ব্যক্তিরা অবস্থান নিয়ে শ্রমিকদের কর্মস্থলে যেতে বাঁধা দেয়।
মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে কারখানা কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা শাখার মাধ্যমে তদন্ত করে কারখানার উপ মহাব্যবস্থাপক পরিস্থিতি প্রতিবেদন জমা দেন বলে জানা গেছে। কারখানায় ১৬৫জন দৈনিক মজুরি ভিত্তিক শ্রমিককে কর্মস্থলে যেতে বাঁধা দেয়ার ঘটনায় কারখানা এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কারখানার সিবিএর সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ তালুকদার বলেন, গত দুই বছর দৈনিক মজুরিতে আওয়ামী লীগ শ্রমিকরা চাকুরী করেছে। তাই তাদের কারখানায় যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে মারধোরের ঘটনা ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে ঘটনার বিষয়ে আমরা দৃষ্টি রাখছি।
যমুনা সার কারখানা কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, শ্রমিকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টির তদন্ত রিপোর্ট কর্মচারী প্রধানের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।
ভোরের আকাশ/ র.ই