শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কসবায় অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত ৪ দোকান

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
কসবায় অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত  ৪ দোকান
কসবায় অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত ৪ দোকান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে বাজারের ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের মনকাশাইর বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ঈদের আগের এই ক্ষতিতে তারা সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আগুনে বাজারের সেবা মেডিসিন হল, পপুলার ফার্মেসি, আনু স্টোর এবং একটি চায়ের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদকে সামনে রেখে বেচাকেনার উদ্দেশ্যে ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তারা দোকানে অতিরিক্ত মালামাল তুলেছিলেন। এই ব্যবসাই ছিল তাদের পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। কিন্তু মুহূর্তের আগুনে সব শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা এখন দিশাহারা।

প্রত্যক্ষদর্শীর্ জানান, দুপুর ১টার দিকে বাজারে আগুন লাগার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে তারা প্রাথমিক উপায়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। একই সময়ে বড় দুর্ঘটনা এড়াতে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।

মনকাশাইর বাজারের ব্যবসায়ী রুবেল বলেন, সোমবার ঈদ উপলক্ষে এখানে পশুর হাট বসার কথা ছিল। এ কারণে ব্যবসায়ীরা দোকানে বাড়তি পণ্য তুলেছিলেন। আগুনে তারা এখন সর্বস্বান্ত হয়ে গেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সঠিক তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন।

খাড়েরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহন মিয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর একটিতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যটিতে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকার মালামাল ছিল। পাশের মুদি দোকানেও বিপুল পণ্য ছিল। ঈদকে সামনে রেখে ধার-দেনা করে ব্যবসায়ীরা পণ্য তুলেছিলেন। প্রশাসনের উচিত দ্রুত তাদের পাশে দাঁড়ানো।

আরও পড়ুন

ঈদযাত্রায় ট্রেন চলাচলে কোনো শিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই : রেল সচিব

কসবা ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার মানিক সিকদার জানান, দুপুরে তারা আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতার কারণে আগুনের তীব্রতা সত্ত্বেও আশপাশের অন্য দোকানগুলো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে।

ভোরের আকাশ/ইউএম

 

কসবায় অগ্নিকাণ্ড

শেয়ার করুন: