শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

“রাস্তা নেই, উন্নয়নও থমকে”: পাকুরিয়ায় কাদা-ধুলোয় বন্দি জনজীবন

কালীগঞ্জক (গাজীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

সকাল হলেই শুরু হয় লড়াই-স্কুলগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী কিংবা বৃদ্ধ সবাইকে একটাই পথে এগোতে হয়; আর সেই পথই এখন পাকুরিয়া গ্রামের সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা। গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এই গ্রামে প্রধান সড়কটি যেন উন্নয়নের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়া এক নাম।

গ্রামজুড়ে উন্নয়নের নানা চিত্র চোখে পড়লেও পাকুরিয়ার এই সড়ক যেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও ভেঙে পড়েছে। কোথাও ইট উঠে গেছে, কোথাও বড় গর্তে জমে আছে পানি—যা বর্ষা মৌসুমে পরিণত হয় চলাচলের অনুপযোগী কাদার সমুদ্রে।

স্থানীয়দের ভাষায়, “রাস্তা মানেই এখন দুর্ভোগের নাম।” দিনের বেলায় ধুলার ঝড়, আর বৃষ্টিতে কাদার রাজত্ব-এই দুইয়ের মাঝেই চলছে গ্রামটির মানুষের জীবন।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, বছরের পর বছর ধরে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি এমন অবস্থায় পৌঁছায় যে রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া কিংবা কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

গ্রামের বাসিন্দা ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী শাকিল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ছোটবেলা থেকে এই রাস্তার একই অবস্থা দেখে বড় হয়েছি। এখনো কোনো পরিবর্তন নেই। উন্নয়ন শুধু আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ।”

স্থানীয়দের দাবি, পাশের এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও পাকুরিয়া বারবার অবহেলিত থেকে যাচ্ছে। দ্রুত আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে টেকসই সড়ক নির্মাণই এখন তাদের একমাত্র দাবি।

এদিকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুবকর মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান। পরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সড়কটির অবস্থা জানতে পেরেছেন। এটি আইডিভুক্ত কিনা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তালিকাভুক্ত থাকলে এলজিইডির মাধ্যমে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হবে, আর না থাকলে বিকল্পভাবে উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন

২৭তম বিসিএস: আরও ৯৬ প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.টি.এম কামরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে লিখিত আবেদন পেলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পাকুরিয়ার মানুষ এখন আর আশ্বাসে থেমে থাকতে চান না। তাদের চোখে এখন একটাই প্রত্যাশা-কাদামাখা এই সড়ক থেকে মুক্তি, আর একটি স্বাভাবিক চলাচলের পথ।

ভোরের আকাশ/এনউব

ধুলোয় বন্দি জনজীবন

শেয়ার করুন: