শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নওগাঁয় ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

নওগাঁ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

নওগাঁ জেলায় হাম ও রুবেলার প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। 

বর্তমানে জেলায় ২৪১ জন শিশু সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই জরুরি প্রেক্ষাপটে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১১ মে পর্যন্ত জেলাজুড়ে হাম-রুবেলা (এমআর) ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ৬০ হাজার ৬৮৭ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জেলার ১১টি উপজেলায় মোট ২ হাজার ৫০০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এই বিশাল কর্মসূচি সফল করা হবে। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৭ হাজার শিশুকে এই টিকা প্রদান করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম বলেন, জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় এই টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টিকাটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও কার্যকর। কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সন্তানদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।

ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুনির আলী আকন্দের সঞ্চালনায় সভায় জানানো হয়, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় গত ২৮ দিনের মধ্যে কোনো শিশু এই টিকা পেয়ে থাকলে তাকে পুনরায় টিকা দেওয়া হবে না। এছাড়া অসুস্থ শিশুদের সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত এবং অভিভাবক অনিচ্ছুক হলে জোরপূর্বক টিকা দেওয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে মেডিকেল অফিসার ডা. নুজহাত তাবাসসুম, ডা. নাজিয়া তাসনিম, সিনিয়র মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আবু মো. শফিকুল ইসলামসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

ডা. নুজহাত তাবাসসুমবিশেষ টিকাদান কর্মসূচি

শেয়ার করুন: