শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফতুল্লার গৃহবধূ হত্যা মামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : প্রতীকি
ছবি : প্রতীকি

ফতুল্লায় গৃহবধূ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করে জড়িত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১১)। 

সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব-১১ সূত্রে জানা যায়, নিহত হাসিনা পারভীন মিনু (৪৭) ফতুল্লার তুষারধারা আবাসিক এলাকায় বসবাস করতেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে একটি ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরদিন ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানার এলাকায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব জানায়, মামলার পর ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। পরে ঢাকার ডেমরা ও নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. জহিরুল ইসলাম খান (৫২) ও মো. আনিছুর রহমান (৪০) নামের দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব-১১ এর অপস্‌ অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স অফিসার ক্যাপ্টেন মো. রওনক ইরফান খান জানান, “চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে নিবিড় গোয়েন্দা তৎপরতা ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে। 

অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই আইনের ফাঁক গলে বের হতে না পারে, সে লক্ষ্যে র‍্যাব সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


 

গ্রেপ্তারক্যাপ্টেন মো. রওনক ইরফান খান

শেয়ার করুন: