শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঘোড়াঘাট

পশুখাদ্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে গম চারা

ঘোড়াঘাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে গম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। অধিক লাভের আশায় কৃষকরা গম পরিপক্ব হওয়ার আগেই কাঁচা গাছ কেটে পশুখাদ্য হিসেবে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে একদিকে যেমন দানাদার খাদ্যশস্য গমের উৎপাদন কমছে, অন্যদিকে আবাদের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ হচ্ছে না। 

উপজেলার রানীগঞ্জ, বলোগাড়ী, কানাগাড়ী ও ডুগডুগি, ওসমানপুর, ঘোড়াঘাট পৌরসভা, বাজারে দেখা যায়, আঁটি বেঁধে বিক্রি হচ্ছে সবুজ গম গাছ। প্রতি আঁটি কাঁচা ঘাস হিসেবে ১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।  কৃষকদের দাবি, এক বিঘা জমির গম পাকিয়ে বিক্রি করলে যেখানে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার টাকা পাওয়া যায়, সেখানে কাঁচা গাছ বিক্রি করলে পাওয়া যাচ্ছে ৪০ হাজার টাকারও বেশি। এছাড়া গম পাকতে যে অতিরিক্ত দুই মাস সময় লাগে, সেই সময়ে জমিতে অন্য ফসল আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন, “গম পাকানোর চেয়ে কাঁচা অবস্থায় বিক্রি করাই লাভজনক। খরচ কম, টাকাও দ্রুত পাওয়া যায়।”উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, গত মৌসুমে ১১০ হেক্টর জমিতে গম চাষ হলেও এ বছর তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫০ হেক্টরে। গম পাকলে তুলনা মুলক দাম পাওয়া যায়না । ভুট্টার আবাদ বৃদ্ধি এবং পশুখাদ্য হিসেবে গমের ব্যবহার বেড়ে যাওয়াই এর প্রধান কারণ। 

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, ভুট্টা চাষে লাভ বেশি হওয়ায় কৃষকরা সেদিকে ঝুঁকছেন। তবে গম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এবং পশুখাদ্য হিসেবে এর ব্যবহার রোধে কৃষকদের সচেতন করার কাজ চলছে।

ভোরের আকাশ/র.ই


 

ভুট্টা চাষঘোড়াঘাট

শেয়ার করুন: