মাগুরায় পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

মাগুরায় পৃথক দুটি ঘটনায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মহম্মদপুর উপজেলায় পুকুরে ডুবে আপন চাচাতো দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে, সদর উপজেলার মধুমতি নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে মহম্মদপুর উপজেলার মৌশা গ্রামে পুকুরে ডুবে রাফিয়া (২) ও রাইশা (৩) নামে আপন চাচাতো দুই বোনের মৃত্যু হয়।
নিহত রাফিয়া ওই গ্রামের আমিনুরের দুই বছর বয়সী কন্যা এবং রাইশা আলিনূরের তিন বছর বয়সী কন্যা। পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে খাবার খাওয়ার পর দুই শিশু বাড়ির বাইরে যায়। কিছুক্ষণ পর তাদের দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে দুই শিশুকে ভাসতে দেখা যায়। পরে দ্রুত উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাজী আবু হাসান তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম. শামীম আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একই পরিবারের দুই শিশুর আকস্মিক মৃত্যুতে মৌশা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে, মাগুরা সদর উপজেলার কালিনগর গ্রামের বাগবাড়িয়া এলাকায় মধুমতি নদী থেকে ইয়াসিন মোল্লা (৯) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
মাগুরা ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার জামাল উদ্দিন জানান, গত রোববার বিকেলে ইয়াসিন তার চাচার সঙ্গে মধুমতি নদীর পাড়ে পাট জাগ দেওয়ার কাজে সহযোগিতা করতে গিয়েছিল। এ সময় পা পিছলে নদীতে পড়ে সে নিখোঁজ হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে বাগবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহত ইয়াসিন মোল্লা কালিনগর গ্রামের শহর আলী মোল্লার ছেলে এবং কালিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ভোরের আকাশ/এনউব