নোয়াখালীর পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্ব এমপি পুত্র আবু সালেহ সবুজ

রাজনীতি মানেই পদ-পদবি ও ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা—এমন ধারণাকে অনেকটাই ভুল প্রমাণ করে নীরবে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন নোয়াখালীর পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্ব আবু ছালেহ মো. আবদুল্লা সবুজ। তিনি নোয়াখালী-৪ আসনের একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ মো. শাহজাহানের সন্তান। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হয়েও ক্ষমতার অহংকার বা প্রভাব তাঁকে স্পর্শ করেনি। বরং সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা নিরহংকার ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।
ছাত্রজীবন থেকেই মেধাবী ও বিনয়ী হিসেবে পরিচিত সবুজ। এখনো তিনি সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলেন এবং সহজেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যান। জীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এলেও দলীয় পদ-পদবির প্রতি তাঁর কোনো বিশেষ আকাঙ্ক্ষা দেখা যায়নি। ব্যক্তিজীবনে তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী।
পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত সবুজ মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল। একই সঙ্গে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিও তাঁর রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
সবুজ মনে করেন, মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে স্বাধীন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। তাই তাঁদের আত্মত্যাগ কখনো ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও দেশের স্বাধীনতার প্রতি তাঁর দৃঢ় অবস্থানের কথাও বিভিন্ন সময় তিনি তুলে ধরেছেন।
ব্যক্তিজীবনে ধর্মপ্রাণ ও সাদাসিধে জীবনযাপনে অভ্যস্ত সবুজ নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট। মানুষের কল্যাণে কাজ করাকেই তিনি গুরুত্ব দেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা জানান।
সম্প্রতি শিক্ষা খাতেও তাঁর সম্পৃক্ততা বেড়েছে। আগামী দুই বছরের জন্য সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বর ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে কলেজটির শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, সহযোগিতার আশায় তাঁর কাছে আসা মানুষ সাধারণত খালি হাতে ফেরেন না। সাধ্যমতো সহযোগিতা নিয়ে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। দল-মত নির্বিশেষে বিপদে পড়া মানুষের পাশে থাকার এই মানসিকতা তাঁকে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় ও আস্থাভাজন করে তুলেছে।
স্থানীয়দের মতে, সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সৎ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী আবু ছালেহ মো. আবদুল্লা সবুজ ভবিষ্যতে নোয়াখালী পৌরবাসীর সেবায় আরও বড় ভূমিকা রাখার সুযোগ পেলে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
ভোরের আকাশ/জেআ