শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খুলনা

খাদ্য পরিবহণ ঠিকাদার সমিতির কর্মবিরতিতে অচল খাদ্য বিভাগ

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

ট্রাক সিন্ডিকেট কারণে খুলনা খাদ্য পরিবহন (সড়ক বিভাগ) ঠিকাদার সমিতির কর্ম বিরতিতে অচল হয়ে পড়ছে। এতে সরকারের জরুরি সেবা ব্যাহত হচ্ছে। বন্ধ রয়েছে পণ্যবাহী ট্রাক। 

খুলনার মহেশ্বরপাশা, সিএসডি, ৪ নং ও ৭ নং ঘাট অঞ্চলের ট্রাক লোড আনলোড বন্ধ রয়েছে। ২৭০ জন ঠিকাদার ২০০৫ সালে খাদ্য পরিবহন (সড়ক বিভাগ) চুক্তিবদ্ধ হন। নানা কারণে এরপরে আর টেন্ডার না হওয়ায় ২০০৫ সালের রেটে এখনো ব্যবসা করে যাচ্ছেন তারা।

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘এ অনির্দিষ্ট কর্মবিরতি প্রত্যাহার না হলে অচল হয়ে পড়বে জরুরি সেবা। কর্মহীন হয়ে পড়বে খুলনার ২৫০০ শ্রমিক। ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।’

খুলনা খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার সমিতির সভাপতি এস এম আজিজুর রহমান স্বপন বলেন, ‘আমরা যারা খাদ্য বিভাগে কাজ করি খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও ঢাকায়। সকলের সরকারের লাইসেন্সকৃত পরিবহন আছে এই পরিবহনের কাছে ট্রাক ভাড়া করার স্বাধীনতা আমাদের আছে। যে-কোনো ট্রান্সপোর্ট থেকে আমরা সুবিধামতো গাড়ি নিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারি। 

এক জায়গায় গাড়ি না পেলে অন্য জায়গা থেকে গাড়ি নিতে পারি। কিন্তু খুলনার মহেশ্বরপাশা, সিএসডি, ৪ ও ৭ নং ঘাটে বিভাগীয় খাদ্য পরিবহণ সমিতির গাড়ি ভাড়া করার স্বাধীনতা নেই। এর কারণ হচ্ছে খুলনার জয়েন্ট ট্রান্সপোর্ট নামের ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন নিয়ন্ত্রিত। তাদের কাছ থেকে ব্যবসায়ীদের গাড়ি নিতে বাধ্য করা হয়। 

এখানে একতরফা তাদের সিন্ডিকেট সচল। বিগত সরকারের আমলেও তারা আমাদেরকে বাধ্য করেছিল। ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পরে কিছুদিন শিথিল ছিল কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের পর তা আবার সচল হয়ে উঠেছে। ট্রাক মালিকদের এই সিন্ডিকেটের কারণে আমাদের পক্ষে এখন ব্যবসা করা সম্ভব হচ্ছে না।’ আমরা এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। 

খুলনার খাদ্য পরিবহন (সড়ক পথ) ঠিকাদার হাফিজুর রহমান বলেন, ‘জয়েন্ট পরিবহন মালিক সমিতি (৬২২) যে রেট দিবে তাদের রেটে গাড়ি নিতে হবে। প্রতি গাড়িতে তিন থেকে চার হাজার টাকা বেশি দিতে হয়। এ ছাড়াও তাদের গাড়ির কোন লাইসেন্স নেই। আর এক ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমাদের কোন গাড়ি নিতে হলে তাদের মাধ্যমে নিতে হবে। ওরা যে গাড়ি দিবে তাই নিতে হবে।’

ফারুক হোসেন নামে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, ‘ওদের গাড়ির লাইসেন্স থাকে না ফিটনেস বিহীন। আমাদের কাছ থেকে বেশি টাকা নেয়। প্রতিবাদ করলে আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে।’

এ বিষয়ে খুলনা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঠিকাদারদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। খাদ্য অধিদপ্তর থেকে চিঠি দিয়েছে দু’পক্ষ বসলে সমাধান হয়ে যাবে।’

চলাচল ও সংরক্ষণ খাদ্য নিয়ন্ত্রক রহমান বলেন, ‘খুলনা ট্রাক মালিক সমিতি এখানে বাহিরের ট্রাক ঢুকতে দেয় না। আমাদের এটা জরুরি সেবা এখানে আইন দেখিয়ে লাভ হবে না কারণ বিকল্প রাস্তা নেই। ঠিকাদাররা বেশ কিছুদিন যাবৎ এটা অবরোধ করে রেখেছে।’

ভোরের আকাশ/ র.ই

 

 

জাতীয় জরুরি সেবাহুমায়ুন কবির

শেয়ার করুন: