শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিয়ামতপুরে বোরো ধান কাটার ব্যস্ততা, ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৫, ৩:২৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
নিয়ামতপুরে বোরো ধান কাটার ব্যস্ততা, ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি
নিয়ামতপুরে বোরো ধান কাটার ব্যস্ততা, ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি

নওগাঁর নিয়ামতপুরে বোরো আবাদের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। এদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এড়াতে বোরো ধান কর্তনে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলার প্রায় ৪০ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে ইতোমধ্যেই। মাঠজুড়ে চলছে কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। কৃষকরা জানাচ্ছেন, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে, পাশাপাশি রোগবালাইও কম দেখা গেছে।

মায়ামারী গ্রামের কৃষক আবুল কাসেম বলেন, আমি জিরায়াইল জাতের ধান কেটেছি। মাড়াই শেষে প্রতি বিঘায় প্রায় ২২ মণ ধান পেয়েছি। রোগবালাই কম হওয়ায় কীটনাশকের খরচ অনেক কম লেগেছে। তবে শ্রমিক সংকট রয়েছে। এখন একজন কামলাকে দিনে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা মজুরি দিতে হচ্ছে।

একই এলাকার কাপাস্টিয়া গ্রামের কৃষক বদিউজ্জামান বলেন, আমার কাটারীভোগ জাতের ধানে প্রতি বিঘায় প্রায় ২৫ মণ ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হলেও বাজারে ধানের দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এছাড়া মজুরের খরচও বেড়েছে।

নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল হাসান বলেন, এই উপজেলায় এবার ২৩,৩৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে বোরো (হাইব্রিড), বোরো (উফশী) ও স্থানীয় জাতের ধান আবাদ হয়েছে।

তিনি জানান, এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। জাতভেদে প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২৫ মণ ফলন মিলছে। কৃষকরা সময়মতো পরিচর্যা করায় রোগবালাই ছিল কম। আগাম জাতের ধানে ভালো ফলন মিলেছে। ধান কাটা ও সংগ্রহে কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। 

ভোরের আকাশ/এসআই

শেয়ার করুন: