শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তীব্র গরম থেকে রক্ষা পেতে গাছের উপর মাচা তৈরি

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৫, ১১:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
তীব্র গরম থেকে রক্ষা পেতে গাছের উপর মাচা তৈরি
তীব্র গরম থেকে রক্ষা পেতে গাছের উপর মাচা তৈরি

মাদারীপুরের শিবচরে প্রচন্ড গরমের তীব্রতা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশায়, প্রকৃতির সু-বাতাস গায়ে লাগানোর জন্য গ্রামের নওজোয়ানেরা মিলে গাছের উপর চাটাই বা মাচা বানিয়েছে। এমন দৃশ্য দেখে এলাকার অন্য সব তরুন তরুনীদের মন আকৃষ্ট করছে বলে জানতে পারি।

সোমবার (২৬ মে) দুপুরে শিবচর উপজেলার দ্বিতীয়খন্ড ইউনিয়নের নিয়ামত কান্দি এলাকায় আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি মেহগনি গাছের মাঝামাঝি উপরে ৭/৮ টি ডাল ছড়িয়ে সিটিয়ে রয়েছে। সেই গাছের উপরে স্থানীয় যুবকেরা মিলে বন্ধু আড্ডায় মেতে গিয়ে, গরমের তীব্রতা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য, গাছের উপরে বাঁশের মাচা তৈরি করেছে। যেন তারা ওই মাচার উপরে বসে সৃষ্টিকর্তার যে মনোমুগ্ধকর আবহাওয়া সেটি অনুভব করতে পারে।

প্রখর রোদ্রের আদ্রতায় সংকীর্ণতায় অতিষ্ঠ জীবন। গরমের তীব্র হাওয়ায় যেন অনেকেই কুপোকাত। সেই ভাবনা থেকেই প্রকৃতির লীলাভূমিতে বসবাস করেও সামান্য একটু সুখ খুঁজতে গাছের উপর মাচা তৈরি করেছে গ্রামের ওই নওজোয়ানেরা। শুধু তাই নয় গাছের উপরে উঠা ও নামার জন্য গাছের সাথেই কাঠ মেরে বিকল্প সিড়ি করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে তাদের অনুভূতির কথা জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা সবাই একই গ্রামের ছেলে। সব সময় এক সাথে আড্ডা দিয়ে থাকি। গ্রামের আশেপাশে সব জায়গায় পাট, ধানে আচ্ছন্ন ঘেরা। রাস্তার পাশে কিংবা বাড়ীর আঙিনায় তীব্র গরমে একটু স্বস্তিও খুঁজে পাচ্ছিনা। তাই আমরা এলাকার কয়েকজন মিলে গাছের উপরে একটি মাচা বানাই। যাতে করে সবাই ওই মাচায় বসে দুপুর কিংবা বিকালে আড্ডা দিতে পারি। যেন চারপাশ থেকে প্রকৃতির বাতাস লাগে। এমন মনোভাব নিয়েই আমরা সবাই মিলে মাচাটি বানিয়েছি। এতে করে আমরা সবাই আনন্দিত।

এছাড়াও গাছের উপর মাচা পেতেছি, যেহেতু সড়কের পাশেই গাছটি রয়েছে। সেহেতু অনেকেই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের সময় আমাদের এই মাচা বানানো দেখে আনন্দ উপভোগ করছে। শুধু তাই নয়, চাইলে যাত্রা পথে গরমের তীব্রতা রক্ষার্থে পথচারীরাও এখানে বসে সাময়িক বিশ্রাম নিতে পারবে।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

গাছের উপর মাচাশিবচরতীব্র গরম

শেয়ার করুন: