শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আত্রাইয়ে টেকনিক্যাল কলেজের জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১১ মে ২০২৫, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
আত্রাইয়ে টেকনিক্যাল কলেজের জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান
আত্রাইয়ে টেকনিক্যাল কলেজের জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান

নওগাঁর আত্রাইয়ে ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত টিনের চালে পলিথিন দিয়ে চালাতে হচ্ছে পাঠদান। কারিগরি শিক্ষাদানে প্রতিষ্ঠিত এখাকার টেকনিক্যাল কলেজটির ভবন সংকটে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। জরাজীর্ণ ভবনে ঝুঁকির মধ্যদিয়েই চালাতে হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম।

২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় ‘সাহেবগঞ্জ টেকনিক্যাল এ্যান্ড বিএম কলেজ।’  এইচএসসি পর্যায়ের এ কলেজটিতে বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০০ জন। শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও অফিস কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মোট ১১ টি টিনসেড কক্ষ রয়েছে। সম্প্রতি আত্রাইয়ে ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে  কলেজের ৬ টি কক্ষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। টিনের চালা ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। বৃষ্টি হলেই ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। এদিকে কলেজের আর্থিক সংকটের কারণে জরাজীর্ণ টিন পরিবর্তন করা সম্ভব না হওয়ায় টিনের চালে পলিথিন দিয়ে কোন রকমে চালাতে হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। 

কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বরাবর ভাল ফলাফল অর্জন করে আসছে বলে জানা যায়। একাধিকবার উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষস্থান দখল করার নজিরও রয়েছে এ কলেজের। সুষ্ঠু পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করা হলে কারিগরি শিক্ষায় ব্যাপক সাফল্য অর্জন করা সম্ভব বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। 

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আব্দুস সাদেক শিলন বলেন, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আমাদের এ প্রতিষ্ঠানের সাথে চরম বিমাতা সূলভ আচরণ করা হয়েছে। আমাদের এমপিও কেটে দেয়া হয়েছিল। যা আইনি লড়াইয়ের মধ্যদিয়ে ফিরিয়ে আনতে হয়েছে। এ ছাড়াও উপজেলা সদরের একমাত্র বিএম কলেজ হিসেবে ভবন পাওয়ার অগ্রাধিকার থাকলেও ফ্যাসিষ্ট সরকারের রোষাণলের কারণে আমাদেরকে ভবন দেওয়া হয়নি। 

ভোরের আকাশ/আজাসা

শেয়ার করুন: