সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক: খায়রুল কবির খোকন

নরসিংদী সদর-১ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন বলেছেন, মরহুম সামসুদ্দীন আহমেদ শুধুমাত্র জনগণের কল্যাণেই কাজ করেনি।
তিনি ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একজন আদর্শের সৈনিক। নরসিংদী সদর থেকে চার বার নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য এবং নরসিংদী জেলা বিএনপির আমৃত্যু সভাপতি মরহুম সামসুদ্দিন আহমেদ এছাক এর ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার ২৭ মার্চ সকালে নরসিংদী শহরের আরশীনগরস্থ বটমূলে তার সমাধিস্থলে পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে একথা বলেন। খায়রুল কবির খোকন আরো বলেন, সামসুদ্দিন আহমেদ এছাক শুধুমাত্র একজন এমপিই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন গীতিকার, সুরকার ও সাংবাদিক। তিনি আজীবন মানুষের কল্যাণে নিজকে বিলিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি এলাকাবাসীর জন্য যে অবদান রেখে গেছেন, তা কোনদিন ভোলার মতো নয়। পরিশেষে তিনি মরহুম সামসুদ্দিন আহমেদ এছাক এর আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং আল্লাহতায়ালা যেন তাকে জান্নানবাসী করেন সেই দোয়া করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৩ শিবপুর আসনের এমপি মনজুর এলাহী, নরসিংদীর সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক এমপি বেগম রোকেয়া আহমেদ লাকী, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, হারুন-অর-রশিদ, খবিরুল ইসলাম বাবুল, এম.এ জলিল, আকবর হোসেন, একে.এম গোলাম কবির কামাল, ফারুক উদ্দিন ভ‚ঞা, রবিউল ইসলাম রবি, বি.জি রশীদ নওশের, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মনিরুল হক জাবেদ, প্রচার সম্পাদক মো: ইলিয়াস আলী ভ‚ঞা, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সোহেল, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক স্বপ্না আহমেদ ও নরসিংদী সংবাদপত্র পরিষদের সাধারণ সাধারণ সম্পাদক এম.এ আউয়াল প্রমুখ।
উল্লেখ্য যে, নরসিংদীর কিংবদন্তি এ নেতা ১৯৪১ সালে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্ম গ্রহণ করেন। স্বাধীনতা পূর্ব সময়ে স্থানীয় জবা টেক্সটাইল মিলে শ্রমিক নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৭৩ ইং সালে তিনি নরসিংদী পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭৭ইং সালে পৌর নির্বাচনে জয়লাভ করার পরও দায়িত্ব পাননি। পরে ১৯৮৪ সালে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারনে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত একাধারে চার মেয়াদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি অসংখ্য কবিতা, নাটক, গান রচনা ও সুর দিয়েছেন। একাধিক চলচ্চিত্রে তার লেখা গান গেয়েছেন দেশের নামকরা শিল্পীরা। ২০০৫ সালের ২৭ মার্চ অসুস্থতাজনিত কারনে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন।
ভোরের আকাশ/এনউব