শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

চৌফলদণ্ডীতে রাখাইনদের প্রাচীন শ্মশান দখলের অভিযোগ

ঈদগাঁও, কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৯ জুন ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নে রাখাইন সম্প্রদায়ের  প্রাচীন শ্মশানভূমির বড় অংশ দখল করে লবণ ও চিংড়ি চাষের অভিযোগ
কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নে রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রাচীন শ্মশানভূমির বড় অংশ দখল করে লবণ ও চিংড়ি চাষের অভিযোগ

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নে রাখাইন সম্প্রদায়ের দুইশত বছরেরও বেশি প্রাচীন শ্মশানভূমির বড় অংশ দখল করে লবণ ও চিংড়ি চাষের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এক প্রভাবশালী পরিবার প্রায় দুই যুগ ধরে এই জমি দখল করে রাখায় মরদেহ সৎকার ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে চরম দুর্ভোগে পড়েছে রাখাইন জনগোষ্ঠী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে সাগর উপকূলীয় চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নের উত্তর, দক্ষিণ ও মধ্যম রাখাইনপাড়ায় প্রায় ৮০০ রাখাইন পরিবারের বসবাস। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধসংলগ্ন এলাকায় পাশাপাশি দুটি প্রাচীন শ্মশান রয়েছে, যা এই সম্প্রদায়ের মরদেহ সৎকারের একমাত্র স্থান।

রাখাইন সম্প্রদায়ের অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালী ফজলুল হক মিন্টু, তাঁর ভাই লাল মিয়া লালু, এয়ার খান ও একরামুল হক দীর্ঘদিন ধরে শ্মশানের প্রায় চার একর জমি দখল করে শুষ্ক মৌসুমে লবণ চাষ এবং বর্ষা মৌসুমে চিংড়ি চাষ করে আসছেন। এতে শ্মশানের সিংহভাগ জমি কার্যত বেদখল হয়ে পড়েছে।

চৌফলদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য উবাচিং রাখাইন জানান, ২০০১ সালে রাখাইনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন শ্মশানের চার একর জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে বরাদ্দ দেয়। পরবর্তীতে সরকারি ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে সেখানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়।

উত্তরপাড়া শ্মশান পরিচালনা কমিটির সভাপতি উথোইচিং রাখাইন বলেন, “এই শ্মশান আমাদের পূর্বপুরুষদের চিরনিদ্রার স্থান। লবণ মাঠের নিচে আমাদের অন্তত এক হাজার পূর্বপুরুষের সমাধি রয়েছে। তাদের ওপরই এখন লবণ চাষ হচ্ছে। শ্মশান বেদখল হয়ে যাওয়ায় মরদেহ সৎকার নিয়ে আমরা চরম বিপাকে পড়েছি।”

শ্মশান উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়ে গত বৃহস্পতিবার থেকে স্থানীয় নারী-পুরুষ মিলে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন রাখাইনরা।  অভিযোগ উঠেছে, কাজ শুরুর পর থেকেই দখলদারদের পক্ষ থেকে বারবার বাধা, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন।

আরও পড়ুন

সখিপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কায় নিহত ৪

তিনি বলেন, “এটি শুধু জমির বিষয় নয়, এটি একটি সম্প্রদায়ের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রশ্ন। জেলা প্রশাসক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

গত রোববার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, দুটি শ্মশানে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কেটে উন্নয়নকাজ চলছে। একই সময়ে বেড়িবাঁধের ওপর শতাধিক রাখাইন নারী-পুরুষ পাহারায় ছিলেন। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ চেয়েছেন রাখাইন সম্প্রদায়।

ভোরের আকাশ/ইউএম
 

শ্মশান দখলের অভিযোগ

শেয়ার করুন: