শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজারে থামছে না হামের প্রাদুর্ভাব, ৪ শিশুর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার,কক্সবাজার

প্রকাশ : ৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কক্সবাজারে হাম নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় জেলায় হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে।  

এতে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর চাপ আরও বেড়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মৃত শিশুটি ৭ মাস বয়সী রৌশনী। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ভোর ও সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে স্থাপিত বিশেষ হাম ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়। 

তাদের একজন রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি এলাকার বাসিন্দা আজিজুল হকের সাত মাস বয়সী মেয়ে রৌশনী। অপরজন মহেশখালীর ছোট মহেশখালী এলাকার নাসিরের নয় মাস বয়সী মেয়ে জেসিন। এর আগে একই উপজেলার সাত মাস বয়সী হিরা মনি নামের আরেক শিশুর মৃত্যু হয়।

এছাড়া আরও একটি শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেলেও তার পরিচয় ও সময় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে মোট চার শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি এখন নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নিহত রৌশনীর মা মরিয়ম বেগম জানান, তার জমজ দুই মেয়ে। হঠাৎ জ্বর ও সর্দি দেখা দিলে প্রথমে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া হয়।

প্রায় এক সপ্তাহ ওষুধ চললেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঈদের পরদিন থেকে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় এক সন্তানের মৃত্যু হয়েছে, অন্য সন্তানটিও এখনো জ্বরে ভুগছে। চিকিৎসকরা বলছেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের অনেকেই দেরিতে হাসপাতালে আসায় জটিলতা বাড়ছে।  

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. শহিদুল আলম জানান, প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। হাম রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড ও বিশেষ নার্সিং ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবুও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের হাম ইউনিটে ৪২ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। একই সঙ্গে কক্সবাজার জেনারেল হাসপাতালে আরও ৫ জন শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। 

সব মিলিয়ে দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ জনে, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাই নির্দেশ করছে। মহেশখালী, হোয়াইক্যং, রামুর মিঠাছড়ি, শহরের কালুরদোকান, পাহাড়তলি ও রুমালিয়ারছড়া এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।

জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, হাম প্রতিরোধে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ টিকা নিশ্চিত করতে পারলে এ রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যুডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর

শেয়ার করুন: