শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জে সংযোগ সড়ক না থাকায় কাজে আসছে না ৬ কোটি টাকার দুটি সেতু

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০২৫, ২:৫৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সংযোগ সড়ক না থাকায় কাজে আসছে না সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দিতে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দুটি সেতু। সেতু দুটির সংযোগ সড়ক না থাকায় জনগণের কোনো উপকার হচ্ছে না। সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এই দুটি সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

এতে জনগণের দুর্ভোগ বাড়ছে এবং কৃষিপণ্য সরবরাহে বিড়ম্বনায় পড়েছেন কৃষকেরা। এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের একডালা গ্রামে। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতু দুটি ব্যবহারে উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ও কাজীপুর উপজেলার শুভগাছা ইউনিয়নে ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের জন্য ২০২৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রতনকান্দিতে খালের উপর (গাছ হালট) দুটি সেতু নির্মাণকাজ শুরু করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩২ ও ৪৪ মিটার দৈর্ঘ্যের পাশাপাশি এই সেতু দুটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট। তবে সংযোগ সড়ক না থাকায় কাজে আসছে না সেতু দুটি। ফলে অন্য রাস্তা ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

সেতুর দুপাশে বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। সেতুর উপর ধান ও খড় শুকানোর জন্য ব্যবহার করছেন কৃষকরা। জরুরী রোগী পরিবহন, মৌসুমি ফল-ফসল বাজারজাত ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে মারাত্মক ভোগান্তি পোহাচ্ছেন স্থানীয়রা। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরও যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতু দুটি ব্যবহারে উপযোগী করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ইসমাইল হোসেন ও সাদেক হোসেন ভোরের আকাশকে বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে দুইডা ব্রিজ দিছে কিন্তু চলাচলের মতো কোনো রাস্তা নাই। ব্রিজের পশ্চিম পাশের রাস্তা একদম ভাঙা। জমি থাইকা ধান নিয়া বাড়িতে যাইতে পারি না। খুব সমস্যার মধ্যে আছি। মানুষ অসুস্থ হইলে হাসপাতালে নেওয়া কষ্টকর হয়। দ্রুত  ব্রিজের পশ্চিম পাড় থাইকা একডালা গ্রাম পর্যন্ত রাস্তা করার দাবী করছি।

আয়নাল হক ও আছিয়া খাতুন ভোরের আকাশকে বলেন, রাস্তা না থাকলে কি ব্রিজ কোন কামে লাগে। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ কইরা সরকার ব্রিজ করলো অথচ রাস্তা নাই। রাস্তা না থাকায় চলাফেরা করতে পারি না। বন্যায় সমস্যা হয়। ছাওয়াল পাওয়াল স্কুলে যাইতে পারে না। চরার কামলার আঁটি বয়া নিতে পারে না। এইডা বড় সমস্য। ব্রিজ পইড়া আছে। ব্রিজের উপর ধান শুকানোর কাম করছি।

সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউর রহমান ভোরের আকাশকে জানান, সংযোগ সড়ক চলাচলের জন্য সরকারি কোনো জায়গা নেই। তবে রাস্তাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এলাকার লোকজনের সাথে বসে মিটিং করেছি। তারা যদি সম্মিলিতভাবে চলাচলের জায়গা দেন তাহলে সেই রাস্তা পাকা করণের জন্য আমরা প্রস্তাব পাঠানো হবে।

ভোরের আকাশ/মো.আ.

সংযোগ সড়কজনদুর্ভোগসিরাজগঞ্জ

শেয়ার করুন: