শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাতকানিয়ায় কৃত্রিম বাঁধ উচ্ছেদ, মাটি খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা প্রশাসনের

সাতকানিয়া(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের পশ্চিম পাশে নলুয়া ও কেঁওচিয়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী “বেরিবাঁধ” এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে কৃত্রিম বাঁধ তৈরি করে রাতের আঁধারে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এসব মাটি স্থানীয় বিভিন্ন ইটভাটায় সরবরাহ করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার অভিযান, জরিমানা এবং মাটি বহনকারী ডাম্পার জব্দ ও নষ্ট করা হলেও থামানো যাচ্ছিল না এই অবৈধ কার্যক্রম। এতে পরিবেশ ও কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ছিল।

অবশেষে শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে খোন্দকার মাহমুদুল হাসান এর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর একটি জোরালো অভিযান পরিচালিত হয়। এতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সাতকানিয়া থানা পুলিশ অংশ নেয়। অভিযানে অবৈধভাবে নির্মিত কৃত্রিম বাঁধগুলো কেটে ফেলা হয়, ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হয় এবং মাটি কাটার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা'রা জানান,“প্রতিদিন রাত হলেই ডাম্পারের শব্দে এলাকা ভারী হয়ে যেত। কয়েকদিন অভিযান হলে বন্ধ থাকে, তারপর আবার শুরু হয়। এবার যেন স্থায়ী সমাধান হয়।
এভাবে মাটি কাটতে থাকলে আমাদের জমি ও পরিবেশ দুইটাই শেষ হয়ে যাবে। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে স্থায়ী নজরদারি দরকার।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান,“মাটি খেকোদের বিরুদ্ধে এই অভিযান চলমান থাকবে। জনস্বার্থবিরোধী কোনো কার্যক্রম বরদাস্ত করা হবে না।”
এ অভিযানের মাধ্যমে প্রশাসন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—অবৈধভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ লুটের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোরের আকাশ/এনউব

মাটি খেকোদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা

শেয়ার করুন: