শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় বিপাকে মালিকরা, প্রতিবাদে মানববন্ধন

দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৭:৩৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

চলমান মদনপুর থেকে দিরাই, শাল্লা, জলসুখা, আজমিরীগঞ্জ মহাসড়ক নির্মাণে অসংখ্য ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি ব্যবহৃত হয়েছে কিন্তু কোনো কোনো অঞ্চলের মালিকগণের জমি অধিগ্রহণের পূর্বেই কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। ফলে চরম বিপাকে রয়েছেন জমির মালিকরা। মহাসড়কটি দিরাই উপজেলার সরমঙ্গল ইউনিয়নের ধনপুর ও চন্ডিপুর এলাকা হয়ে শাল্লা চলে গেছে।  

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধনপুর ও চন্ডিপুর এলাকায় গেলে দেখা যায়, মহাসড়ক নির্মাণে কোথাও চলছে সেতুর পাইলিং, কোথাও চলছে রাস্তা ড্রেজিংয়ের কাজ। অন্যদিকে দুটি গ্রামের আয়োজনে জমি অধিগ্রহণ থেকে বাদ পড়া মালিকগণ জমির উপযুক্ত মূল্য দ্রুত পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিনামূল্যে আমাদের জমি সরকারি কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। জমি অধিগ্রহণ এবং এর মূল্য পাওয়ার দাবিতে আমরা  সবাই ঐক্যবদ্ধ।

স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নুর উদ্দিন বলেন, আমরা ধনপুর ও চন্ডিপুর গ্রামের  নিম্নবিত্ত মানুষ খেটে খাওয়া মানুষ। আমরা ভিটেমাটি হাড়িয়েছি মহাসড়ক নির্মাণের কারণে। ফলে আমাদের অনেক দরিদ্র পরিবার অন্যের বাড়িঘরে আশ্রয় নিয়েছে।

স্থানীয় কৃষক কাজল মিয়া ও ছুনু মিয়া বলেন, এখানে অপরিকল্পিত ভাবে কালভার্ট স্থাপন করা হচ্ছে। আমাদের কৃষি জমির পানির নালাগুলো মহাসড়কের মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে এখানে কালভার্ট স্থাপন না করে অপ্রয়োজনীয় স্থানে  স্থাপন করা হচ্ছে। নালা বন্ধ করায় বিলের পানি পাব না, তা না পেলে কিভাবে আমরা এবছর কৃষি কাজ করবো দুশ্চিন্তায় রয়েছি। মানববন্ধনে দুই গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, বিষয়টি আমি দেখব।

ভোরের আকাশ/জাআ

দিরাইমানববন্ধন

শেয়ার করুন: