শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

পদ্মায় ২৮ কেজির কাতল ৫৩ হাজারে বিক্রি

জহুরুল ইসলাম হালিম, রাজবাড়ী

প্রকাশ : ৪ মে ২০২৫, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
পদ্মায় ২৮ কেজির কাতল ৫৩ হাজারে বিক্রি
পদ্মায় ২৮ কেজির কাতল ৫৩ হাজারে বিক্রি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকৃতির একটি কাতল মাছ। মাছটির ওজন ২৮ কেজি। পরে এটি উন্মুক্ত নিলামে ১৮০০ টাকা কেজি ধরে ৫০ হাজার ৪০০ টাকায় কিনে নেন দৌলতদিয়া ৫ নং ফেরিঘাটের চাঁন্দু মোল্লা মৎস্য আড়তের মালিক চাঁন্দু মোল্লা। পরে মুঠোফোনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে  মাছটি তিনি ১৯০০ টাকা কেজি ধরে ৫৩ হাজার ২০০ টাকায় ঢাকার এক শিল্পপতির কাছে বিক্রি করেন। শনিবার (৩ মে) সকালে পদ্মা-যমুনা নদীর মোহনায়, পাবনা জেলার ঢালার চর এলাকার জেলে জামাল প্রামানিকের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

জামাল বলেন, ভোররাত থেকে সঙ্গীদের নিয়ে পদ্মা নদীতে জাল ফেলেছিলেন। সকাল ৯টার দিকে জালে টান পড়লে সেটি তুলে দেখেন বিশাল আকৃতির একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে। পরে সকাল ১০টার দিকে মাছটি দৌলতদিয়া ঘাটের মোমিন মণ্ডলের মৎস্য আড়তে নিয়ে গেলে ওজন করে দেখা যায়, মাছটির ওজন ২৮ কেজি। এরপর মাছটি নিলামে ওঠানো হয়।

আড়তদার মোমিন মণ্ডল বলেন, নিলামে এক হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে মাছটি ৫০ হাজার ৪০০ টাকায় কিনে নেন চাঁন্দু মোল্লা। পরে তিনি ১৯০০ টাকা কেজি দরে ঢাকার এক শিল্পপতির কাছে ৫৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করেন।

চাঁন্দু মোল্লা বলেন, পদ্মার পানি কমে যাওয়ায় এখন মাঝেমধ্যেই বড় বড় মাছ ধরা পড়ছে। এতে জেলেদের মুখে হাসি ফুটছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশ মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় পদ্মায় এখন বড় মাছ পাওয়া যাচ্ছে। নদীতে নাব্যতা সংকট থাকায় এসব বড় মাছ জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। তবে যথেষ্ট নাব্যতা থাকলে তারা গভীর পানিতে থেকে সহজে ধরা পড়ত না এবং স্বাভাবিকভাবে বংশবিস্তার করতে পারত।

তিনি আরও বলেন, নদীর পানি আরও কমে গেলে দেশীয় বড় প্রজাতির মাছ যেমন রুই, কাতলা, বোয়াল, পাঙাশ আরও বেশি ধরা পড়বে। তাই ভবিষ্যতের জন্য এই প্রজাতিগুলো সংরক্ষণে স্থায়ী অভয়াশ্রম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এসব বড় মাছ সাধারণত ফ্যাসন, কৌনা, কচাল ও চাকা ওয়ালা ঘাইলা ব্যার জালে ধরা পড়ে বলেও জানান তিনি।

ভোরের আকাশ/এসএইচ

শেয়ার করুন: