শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

খুলনা বেতার ভাঙচুর: তদন্তে ব্যর্থতা, আদালতে খারিজ মামলা

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

খুলনায় গণঅভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্র ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দীর্ঘ ২২ মাস তদন্ত করেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। তদন্ত শেষে দাখিল করা চার্জশিটে কোনো আসামির নাম উল্লেখ না থাকায় আদালত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন।

মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার পর সন্দেহভাজন হিসেবে ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে সম্পৃক্ততার পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে চার্জশিটে কাউকে অভিযুক্ত করা হয়নি।

ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। সে সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে খুলনায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। বিকেলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর দেশত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর একদল উত্তেজিত ব্যক্তি নূরনগর এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ বেতার, খুলনা কেন্দ্রে হামলা চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বেতার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা ভবনে অগ্নিসংযোগ করলে স্টুডিও, আর্কাইভ, মাস্টার কন্ট্রোল রুম, ট্রান্সমিটার রুম, জেনারেটর রুমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ সম্প্রচার সরঞ্জাম ও মূল্যবান নথিপত্র পুড়ে যায়। একই সঙ্গে বিভিন্ন মালামাল লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। বেতার ভবনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে সরে যান বলে জানা গেছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে কয়েকদিন সময় লাগে। এ ঘটনায় খুলনা বেতার কেন্দ্রের নিয়মিত সম্প্রচার প্রায় ৭৫ দিন বন্ধ ছিল। পরে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে সীমিত পরিসরে পরীক্ষামূলক সম্প্রচার শুরু হয়। পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচার চালুর দাবিতে বেতার শিল্পীরা বিভিন্ন সময় আন্দোলনও করেন।

ঘটনার পর ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শাহা আলম সোনাডাঙ্গা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি মামলা হিসেবে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তের দায়িত্ব প্রথমে এসআই মো. আব্দুল হাই এবং পরে পরিদর্শক মো. সোহেল রানা গ্রহণ করেন।

তদন্ত শেষে গত ১৭ জুন আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান তদন্তে কোনো নির্দিষ্ট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। ভবিষ্যতে নতুন তথ্য বা আসামিদের পরিচয় পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী মামলাটি পুনরায় সক্রিয় করার সুযোগ থাকবে।

আরও পড়ুন

সীমান্তে আটক তিন ভারতীয়কে ফেরত পাঠালো বিজিবি

এর ভিত্তিতে আদালত ২৫ জুন মামলাটি খারিজের আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, খুলনা বেতার কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭০ সালের ৪ ডিসেম্বর। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞের পর ১৯৭৩ সালে পুনরায় সম্প্রচার শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালের ১৩ জুলাই নূরনগরের বর্তমান বেতার ভবন থেকে নিয়মিত সম্প্রচার কার্যক্রম চালু হয়।

ভোরের আকাশ/জেআ

বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্রবাংলাদেশ বেতার খুলনাখুলনা বেতারগণঅভ্যুত্থান

শেয়ার করুন: