ঘোড়াঘাটে ঠান্ডার দাপট কমেছে, জনজীবনে ফিরেছে স্বস্তি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে কনকনে শীতের পর অবশেষে আকাশে দেখা মিলেছে উজ্জ্বল সূর্য গরমের রেশ। দিনে সূর্যের উষ্ণতায় জনমনে ছড়িয়ে পড়েছে স্বস্তি।
ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডার দাপট কাটিয়ে রোদে প্রাণ ফিরে পেয়েছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন। সন্ধা থেকে সকাল পর্যন্ত কিছুটা ঠান্ডা অনুভুতি থাকলেও সকালের সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ড কাটিয়ে গরমের রেশ বেড়িয়ে চলে। শীতে বিশেষ করে বৃদ্ধরা আরামদায়োক মনে করছে।
শীতের প্রভাব কমে যাওয়ায় বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষেরা ভ্যান চালক জাইদুল ইসলাম ও কৃষকরা বেশ আনন্দিত। তারা জানাচ্ছেন, টানা কয়েক দিনের কুয়াশার কারণে জমিতে ফসল সঠিকভাবে রক্ষাণাবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তবে, রোদ ওঠায় কৃষিকাজ ইরি রোর ধানের চারা গুলো সুরক্ষায় অনেকটা সুবিধা হচ্ছে।
উপজেলার কোথায় কোথাও দেখা গেছে, মানুষজন রাস্তার ধারে কিংবা বাড়ির আঙিনায় রোদ পোহাচ্ছেন। মার্কেট, দোকানপাট ও হাটবাজারে মানুষের উপস্থিতিও বেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা হবিবুর জানালেন, এই রোদ যেন শীতের কষ্ট দূর করে দিল। ঘর থেকে বের হতে আর সমস্যা হচ্ছে না।
শৈত্যপ্রবাহ ধীরে ধীরে কমছে এবং সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। এতে সাধারণ জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তবে, শীতের প্রভাব কমলেও চিকিৎসকরা সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছেন।
বিশেষত শিশু ও বৃদ্ধদের সর্দি-কাশি এবং ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা থেকে রক্ষা পেতে উষ্ণ পোশাক পরিধান করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সূর্যের দেখা পাওয়া মানেই নতুন করে জীবনযাত্রার গতি ফিরে পাওয়া, আর ঘোড়াঘাটের মানুষ দিনটিকে উপভোগ করছেন উষ্ণতার পরশে।
ভোরের আকাশ/ র.ই