শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঘোড়াঘাটে ঠান্ডার দাপট কমেছে, জনজীবনে ফিরেছে স্বস্তি

ঘোড়াঘাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে কনকনে শীতের পর অবশেষে আকাশে দেখা মিলেছে উজ্জ্বল সূর্য গরমের রেশ। দিনে সূর্যের উষ্ণতায় জনমনে ছড়িয়ে পড়েছে স্বস্তি। 

ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডার দাপট কাটিয়ে রোদে প্রাণ ফিরে পেয়েছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন। সন্ধা থেকে সকাল পর্যন্ত কিছুটা ঠান্ডা অনুভুতি থাকলেও সকালের সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ড কাটিয়ে গরমের রেশ বেড়িয়ে চলে। শীতে বিশেষ করে বৃদ্ধরা আরামদায়োক মনে করছে। 

শীতের প্রভাব কমে যাওয়ায় বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষেরা ভ্যান চালক জাইদুল ইসলাম ও কৃষকরা বেশ আনন্দিত। তারা জানাচ্ছেন, টানা কয়েক দিনের কুয়াশার কারণে জমিতে ফসল সঠিকভাবে রক্ষাণাবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তবে, রোদ ওঠায় কৃষিকাজ ইরি রোর ধানের চারা গুলো সুরক্ষায় অনেকটা সুবিধা হচ্ছে। 

উপজেলার কোথায় কোথাও দেখা গেছে, মানুষজন রাস্তার ধারে কিংবা বাড়ির আঙিনায় রোদ পোহাচ্ছেন। মার্কেট, দোকানপাট ও হাটবাজারে মানুষের উপস্থিতিও বেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা হবিবুর জানালেন, এই রোদ যেন শীতের কষ্ট দূর করে দিল। ঘর থেকে বের হতে আর সমস্যা হচ্ছে না। 

শৈত্যপ্রবাহ ধীরে ধীরে কমছে এবং সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। এতে সাধারণ জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তবে, শীতের প্রভাব কমলেও চিকিৎসকরা সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছেন। 

বিশেষত শিশু ও বৃদ্ধদের সর্দি-কাশি এবং ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা থেকে রক্ষা পেতে উষ্ণ পোশাক পরিধান করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সূর্যের দেখা পাওয়া মানেই নতুন করে জীবনযাত্রার গতি ফিরে পাওয়া, আর ঘোড়াঘাটের মানুষ দিনটিকে উপভোগ করছেন উষ্ণতার পরশে।

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

শীতের আমেজজাইদুল ইসলাম

শেয়ার করুন: