শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডুমুরিয়ায় পলিথিনের ছড়াছড়ি, হুমকিতে পরিবেশ

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিনের অবাধ ব্যবহারে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। সরকারি আইন অনুযায়ী চট বা পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক হলেও কার্যকর তদারকির অভাবে বাজারগুলোতে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে একদিকে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে কৃষিজমির উর্বরতা হ্রাস পাচ্ছে।

বাজারে সয়লাব নিষিদ্ধ পলিথিন
সরেজমিনে ডুমুরিয়া সদর, শাহপুর, চুকনগর ও থুকড়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, চাল, ডাল, সবজি, মাছসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের পণ্যই পলিথিন ব্যাগে বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১৭টি পণ্যের মোড়কীকরণে পাটজাত ব্যাগ ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কাঁচাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে পাটজাত ব্যাগ ব্যবহারে অনীহা লক্ষ্য করা গেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, পাটের ব্যাগের তুলনায় পলিথিন সস্তা, সহজলভ্য এবং ব্যবহারেও সুবিধাজনক হওয়ায় ক্রেতারাও এটি বেশি পছন্দ করেন।

পরিবেশ ও কৃষিতে নেতিবাচক প্রভাব
স্থানীয় পরিবেশকর্মীদের মতে, পলিথিন অপচনশীল হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন মাটিতে থেকে যায় এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়। ডুমুরিয়ার বিভিন্ন নালা, ড্রেন ও জলাশয়ে পলিথিন জমে থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।

এছাড়া কৃষিজমিতে পলিথিন জমে থাকার কারণে মাটির স্বাভাবিক বায়ু চলাচল ও পুষ্টি উপাদানের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ফলে উপজেলার কৃষি উৎপাদন, বিশেষ করে ফসল ও সবজি চাষ দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রশাসনের বক্তব্য
এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস বলেন, “নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার ও বিক্রির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান কঠোর। উপজেলার প্রধান প্রধান বাজারে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি দ্রুতই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। আইন অমান্য করে পলিথিন মজুত ও বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন

সমাজসেবা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ সাজ্জাদ পারভেজ

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবিতা সরকার বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ এবং পাটজাত মোড়কের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের সচেতন হওয়া জরুরি। বাজার কমিটিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে শিগগিরই নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

ড্রেন ভরাট হয়ে বাড়ছে জলাবদ্ধতার শঙ্কা
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ডুমুরিয়া বাজারে নতুন ড্রেন নির্মাণ করা হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে ফেলা নিষিদ্ধ পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্যে অনেক অংশ ভরাট হয়ে গেছে। ফলে পানি নিষ্কাশনে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা পলিথিনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন।

ভোরের আকাশ/এম

ডুমুরিয়া

শেয়ার করুন: