ওয়াটারলগিং এনালাইসিস ইন রয়্যাল মোড়-খুলনা শীর্ষক কর্মশলা

নগরায়নের শুরুতে মহানগরীর সড়ক ও ড্রেন পরিকল্পনা অনুযায়ী করা যায়নি। যখন যেখানে ইচ্ছা সেখানে স্থাপনা ও রাস্তা তৈরী করা হয়েছে। যে সমস্ত খাল আমরা দেখেছি তা বলতে গেলে এখন প্রায় অনুপস্থিত। থাকলেও খুবই সরু। ফলে বর্ষা মৌসুমে আমাদের জলাবদ্ধতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে এবং পরিদর্শনকালে সাতটি স্থান চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরূল ইসলাম মঞ্জু শনিবার ১৭ অক্টোবর দুপুরে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ‘‘ওয়াটারলগিং এনালাইসিস ইন রয়্যাল মোড়-খুলনা’’ শীর্ষক কর্মশলায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন। রাজকীয় নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহায়তায় ‘‘বাংলাদেশ নগরভিত্তিক পানিচক্রের টেকসই রূপান্তর’’ প্রকল্পের আওতায় কেসিসি ও এসএনভি যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।
রূপসায় পাম্প হাউজটি নির্মিত হলে রয়্যাল মোড়সহ সংলগ্ন পাঁচটি ওয়ার্ডের পানি দ্রুত অপসারণ সম্ভব হবে উল্লেখ করে প্রশাসক আরো বলেন, যদিও রয়্যাল মোড়ের পানি খুব বেশি এ পথ দিয়ে নামে না। ইকবাল নগরের ভিতর দিয়েও পানি ওই ড্রেনে যায় না। সুতারাং রয়্যাল মোড়ের পানি অপসারণে সোনাডাঙ্গার বড় ড্রেন বিকল্প হতে পারতো যা করা হয়নি। তিনি রয়্যাল মোড়সহ অন্য ছয়টি পয়েন্টের পানি নামানোর জন্য কি পথ আছে তা নতুন করে বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, প্রস্তুতকৃত ড্রেনেজ মাস্টারপ্লান অনুযায়ী খুলনা মহানগরীতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার বাস্তবায়ন করা হয়েছে মাত্র ২০% ভাগ। সে কারণে অবশিষ্ট কাজ বাস্তবায়নে অর্থ বরাদ্দসহ
আন্ত:বিভাগসমূহের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর জোর দেয়া হয়।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: আনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল ইমরান, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানমসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা সঞ্চালনা করেন এসএনভি’র কাস্টার কো-অর্ডিনেটর উজ্জ্বল কুমার দাস এবং প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন উপদেষ্টা ইমাম হোসেন।
ভোরের আকাশ/ এনউব