সবুজায়নে উখিয়া-টেকনাফে ৪ লাখ ৭৫ হাজার চারা

কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ১৯০ হেক্টর এলাকায় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের ৪ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলের ৪০ হেক্টর এলাকায় ১ লাখ এবং উখিয়ার থাইনখালী চাকমাপাড়ার ১৫০ হেক্টর এলাকায় ৩০ প্রজাতির ৩ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে টেকনাফ রেঞ্জের মুচনী বিটের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে নতুন সৃজিত ৪০ হেক্টর বাগান পরিদর্শন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল আলম।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বাগানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি নতুন সৃজিত বাগানে একটি চালতা গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় বন বিভাগের কর্মকর্তা, ফরেস্ট গার্ড ও বনপাহারা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা প্রতিমন্ত্রীকে বাগান সৃজন, পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত করেন। তারা জানান, রোপণ করা চারাগুলোর পরিচর্যা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
রঙ্গিখালী বনাঞ্চল পরিদর্শনের সময় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমের খোঁজ নেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বাগানের নিরাপত্তা, রোপণ করা চারার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিচর্যা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
পরিদর্শনকালে উখিয়ার থাইনখালী চাকমাপাড়ায় ১৫০ হেক্টর এলাকায় ৩০ প্রজাতির ৩ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণের বিষয়টিও তুলে ধরেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা। তারা জানান, নতুন বাগান সৃজনের পাশাপাশি বিদ্যমান বনসম্পদ রক্ষায়ও নিয়মিত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
টেকনাফ ও উখিয়ার পাহাড়ি বনাঞ্চল জীববৈচিত্র্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, নতুন বাগান সৃজনের পাশাপাশি রোপণ করা চারার টিকে থাকা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিচর্যা ও কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী বন সংরক্ষক মনিরুল ইসলাম ও শাহিনুল ইসলাম, টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশীদসহ বিভিন্ন বিটের কর্মকর্তারা। এ ছাড়া পুলিশ সদস্য, ফরেস্ট গার্ড ও বনপাহারা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভোরের আকাশ/জেআ