স্ত্রী ও খালাতো ভাইয়ের ষড়যন্ত্রে স্বামীর করুণ পরিণতি

বগুড়ায় বেকারী ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলামকে হত্যা করে তারই স্ত্রী শামিমা আক্তার ও খালাতো ভাই বিপুল মিয়া। স্ত্রী ও ভাইয়ের অসম প্রেমের বলি হতে হয় তাকে। এ ঘটনায় বুধবার ভোরে বগুড়া সদরের হাজরাদিঘী গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ ।
আজ দুপুরে সদর থানায় সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, ছোটবেলায় বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর মামা শাহীনুর রহমানের আশ্রয়ে বড় হন জহুরুল। প্রাপ্তবয়স্ক হলে মামা নিজের মেয়ে শামিমার সঙ্গেই ভাগ্নে জহুরুলের বিয়ে দেন ২০১৪ সালে। কিন্তু বিয়ের আগেই শামিমার প্রেম ছিল আরেক ফুফাতো ভাই বিপুলের সঙ্গে, যা বিয়ের পরও এক যুগ ধরে গোপনে চলছিল।
সম্প্রতি পরিবার নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে গিয়ে স্ত্রী ও বিপুলের অসম সম্পর্ক টের পান জহুরুল। এরপরই বাঁধে বিরোধ। সোমবার রাতে খাবারের পর দুধে ১৫ টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে জহুরুলকে অচেতন করে ধানক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধাতব বস্তু দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে শামিমা ও বিপুল। এরআগে বাড়ির থেকে মাত্র ৫০ গজ দূরের ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হয় ব্যবসায়ী জহুরুলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ।
পুলিশ বলছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিশ্চিত হয়ে তাদের শামিমা ও বিলুলকে আটক করা হয় পুলিশ। একপর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করে। এ ঘটনায় নিহত জহুরুলের মামা ও ঘাতক শামিমার বাব শাহিনুর বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ভোরের আকাশ/জাআ