শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাগরে জেলের এক টানে ধরা পড়ল ১০১ মণ ইলিশ, ৩৩ লাখে বিক্রি

কক্সবাজার প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৬ এপ্রিল ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে এক ট্রলারের জালে একবারেই ধরা পড়েছে ১০১ মণ ইলিশ। রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে মাছগুলো আনা হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্রায় ৩৩ লাখ টাকায় তা কিনে নেন।

জানা গেছে, মাছগুলো ধরা পড়ে জালিয়াপাড়ার আবুল কালামের মালিকানাধীন ‘এফবি দ্বীপ’ নামের একটি ট্রলারে। প্রতিটি ইলিশের ওজন ছিল ৫০০ গ্রাম থেকে এক কেজিরও বেশি।

সরেজমিনে দেখা যায়, টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট এলাকায় যেন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সমুদ্র থেকে ফেরা ট্রলার থেকে জুড়ি দিয়ে মাছ নামানো হচ্ছে, শ্রমিকরা ব্যস্ত মাছ বাছাই ও বরফে সংরক্ষণে। কেউ ককশিটের বক্সে ভরছেন, কেউ গাড়িতে তুলছেন, সব মিলিয়ে কর্মচাঞ্চল্যে মুখর পুরো ঘাট।

ট্রলারের মাঝি নুরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে ১৫ জন জেলে নিয়ে তারা সাগরে যান। প্রথমদিকে মাছ না পেলেও রোববার ভোরে এক টানেই জালে উঠে আসে বিপুল পরিমাণ ইলিশ। পরে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী ফারুকের কাছে ৩৩ লাখ টাকায় মাছগুলো বিক্রি করা হয়।

শাহপরীর দ্বীপ ক্ষুদ্র মৎস্য সমিতির সভাপতি আবদুল গনি বলেন, দীর্ঘদিন সাগরে ইলিশ কম পাওয়ায় জেলেরা আর্থিক সংকটে ছিলেন। এই বিপুল মাছ বিক্রির মাধ্যমে আগের কিছু লোকসান পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। ভালো দাম পাওয়ায় এসব ইলিশ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে।

টেকনাফ উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রতিনিধি শহিদুল আলম জানান, ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রতি বছর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এছাড়া অক্টোবর মাসে আরও ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা পালন করা হয়। এই নিয়ম মেনে চলার ফলেই ইলিশের উৎপাদন ও আকার বেড়েছে। বর্তমানে জেলেরা ভালো মাছ পাচ্ছেন এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

ভোরের আকাশ/নি

বঙ্গোপসাগর

শেয়ার করুন: