শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

কক্সবাজার

বাঁকখালী নদীর তীরে আবারও দখল শুরু

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাট এলাকায় বাঁকখালী নদীর তীরভূমিতে উচ্ছেদ হওয়া সরকারি জমি আবারও দখলের অভিযোগ উঠেছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের রাত থেকেই নতুন করে দখল কার্যক্রম শুরু হয়। মাত্র দুই দিনে সেখানে অন্তত ৩০টি টিনের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এ ঘটনায় দখল বন্ধ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে ১৫টি দফতরে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। কক্সবাজার (কস্তুরাঘাট) নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার মো. আব্দুল ওয়াকিল স্বাক্ষরিত চিঠিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজার (কস্তুরাঘাট) নদী বন্দরের সীমানাধীন বাঁকখালী নদী ও তীরভূমিতে গত বছরের ১ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে প্রায় ৬৩ একর নদী ও তীরভূমি উদ্ধার করা হয় এবং ৪৯৬টি কাঁচা-পাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

পরবর্তীতে সীমানা নির্ধারণ করে পিলার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলে সরকারি কাজে বাধা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে তিনটি এবং পুলিশের পক্ষ থেকে একটি—মোট চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলোতে ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও প্রায় ১,৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর মধ্যেই পুনরায় দখল শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পোর্ট অফিসার মো. আব্দুল ওয়াকিল বলেন, “যাদের উচ্ছেদ করা হয়েছিল, তারাই আবার দখল কার্যক্রমে জড়িত। বিষয়টি আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে।
নদী রক্ষা ও সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যেসব দফতরে চিঠি পাঠানো হয় : নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিআইডব্লিউটিএ শাখার সচিব, বিআইডব্লিউটিএ’র প্রশাসন ও পরিবহন বিভাগের পরিচালক, বিআইডব্লিউটিএ’র বন্দর ও পরিবহন বিভাগের পরিচালক, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার, পরিবেশ অধিদফতরের কক্সবাজারের পরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের একান্ত সচিব, বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপির পিএস, কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (প্রশাসন), কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের সমন্বয় কর্মকর্তা, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী, বিআইডব্লিউটিএ’র পরিকল্পনা ও পরিচালনা সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী।

ভোরের আকাশ/ র.ই
 

নদী দখলমো. আব্দুল ওয়াকিল

শেয়ার করুন: