শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

লালপুরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭৬ হাজার পশু

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৫, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
লালপুরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭৬ হাজার পশু
লালপুরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭৬ হাজার পশু

ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে নাটোরের লালপুরে কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার গবাদিপশু। তাই ভালো দামের আশায় শেষ সময়ে পশুর যত্ন ও খাবার দিয়ে হৃষ্টপুষ্ট করা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় খামারিরা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, এই উপজেলায় গবাদিপশুর মধ্যে ষাঁড় ১১ হাজার ৬৩৭টি, বলদ ৪ হাজার ৭৫৫টি, গাভি ১ হাজার ৯২২টি, মহিষ ৫ হাজার ৫৬০টি, ছাগল ৪৬ হাজার ০২টি, ভেড়া ৬ হাজার ২৬৪টি সহ মোট ৭৬ হাজার ১৭৬টি গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, লালপুরে কোরবানির পশুর চাহিদা ৪১ হাজার ১৩৫টি। এবার কুরবানী যোগ্য পশুর কোন ঘাটতি নেই। বরং উদ্বৃত্ত রয়েছে ৩৫ হাজার ৪১টি পশু যা এই উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কোরবানির পশুর চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে।

উপজেলার কেশবপুর গ্রামের খামারী মাজদার রহমান বলেন, এ বছর কোরবানির জন্য আমার খামারে দেশী বিদেশী সহ বিভিন্ন জাতের প্রায়১০ টি গরু প্রস্তুত করেছি। এগুলো স্থানীয়ভাবে পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশানুরূপ দাম পেলে এবার লাভবান হব। 

এছাড়া মহারাজপুর গ্রামের আল-আমিন জানান, এবার গমের ভুষি, খৈল, খড়সহ অন্য খাদ্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধির কারণে গরু পালনে হিমশিম খেতে হচ্ছে খামারিদের। তবুও আশা করি এবার অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো দাম পেলে আমরা লাভবান হব। 

এবিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল্লাহ্ বলেন, লালপুরের চাহিদা তুলনায় প্রায় ৩৫ হাজার পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। খামারিরা ঢাকা সহ সারাদেশে সেগুলো পাঠাচ্ছেন। বাজার স্থিতিশীল থাকলে আশাকরি খামারিরা লাভবান হবেন। 

ভোরের আকাশ/আজাসা

শেয়ার করুন: