শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটালো জিইসি ফাউন্ডেশন

ভোরের আকাশ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি-ভোরের আকাশ
ছবি-ভোরের আকাশ

পবিত্র ঈদুল ফিতরে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নে এক মানবিক উদ্যোগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে জিইসি ফাউন্ডেশন। “এক ব্যাগ ঈদ আনন্দ” শীর্ষক এক কর্মসূচির মাধ্যমে ৩৪টি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে নিত্যপ্রয়জনীয় খাদ্যসামগ্রী। যা তাদের ঈদের আনন্দকে করেছে আরও অর্থবহ।

প্রতিটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় এক কেজি পোলাও চাল, আধা লিটার সয়াবিন তেল, আধা কেজি চিনি এবং এক প্যাকেট সেমাই—যা অনেকের জন্য ছিল ঈদের স্বপ্নপূরণের মতোই এক উপহার।

স্থানীয়ভাবে এই কার্যক্রমের সার্বিক সমন্বয় করে মঠবাড়ি সোসাইটি (মঠবাড়ি ফাউন্ডেশন)। মাঠপর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন জিইসি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আইডিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাব্বির আহমেদ, গণমাধ্যমকর্মী ও জিইসি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আসাদ উল্লাহ সারোয়ার এবং মঠবাড়ি সোসাইটির (মঠবাড়ি ফাউন্ডেশনের) পক্ষে উপস্থিত ছিলেন তাপস, মণির, সাইফুল ও সোহাগ।

উপহার পেয়ে উপকারভোগীদের চোখেমুখে ফুটে ওঠে আনন্দ আর কৃতজ্ঞতার ঝিলিক। এক বৃদ্ধ আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, “এই সহায়তা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। এবারের ঈদে আধা কেজি চিনি কেনার সামর্থ্যও ছিল না। এখন আল্লাহর রহমতে সবই পেলাম।”

অন্যদিকে এক নারী উপকারভোগী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “যারা এই উপহার নিয়ে এসেছে, তারা আমার সন্তানের মতো।”

তিনি স্নেহভরে জিইসি ফাউন্ডেশনের এক সদস্যকে দেখিয়ে বলেন, “এইটা আমার ছেলে।”

আয়োজকরা জানান, মহৎপ্রাণ দাতাদের সহযোগিতাতেই এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। প্রতিটি অনুদান যথাযথভাবে ব্যয় করে প্রকৃত দু:স্থ ও অসহায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। জিইসি ফাউন্ডেশন ও মঠবাড়ি ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

আগামী কোরবানির ঈদে আরও বড় পরিসরে “এক ব্যাগ ঈদ আনন্দ” কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যাপ্ত সহযোগিতা পেলে এই উদ্যোগ আরও বিস্তৃত আকারে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভোরের আকাশ/নি

জিইসি ফাউন্ডেশনঈদুল ফিতর

শেয়ার করুন: