শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তীব্র তাপপ্রবাহে রায়গঞ্জে জনজীবন বিপর্যস্ত

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩ এপ্রিল ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

টানা তাপপ্রবাহে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রখর রোদ ও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষ।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা তীব্র আকার ধারণ করে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। মার্চের শেষের তুলনায় এপ্রিলের শুরু থেকেই গরম দ্রুত বাড়তে থাকে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সকাল থেকেই রোদের তীব্রতা ছিল বেশি। দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে গরম আরও অসহনীয় হয়ে ওঠে। উপজেলার চান্দাইকোনা, ধানগড়া, সোনাখাড়া ও নলকা ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজারে দুপুরের পর মানুষের উপস্থিতি কমে যায়। অনেক জায়গায় দোকানপাট ও রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা দেখা গেছে।

উপজেলার ভুইয়াগাতী এলাকার ভ্যানচালক মো. কাওছার আলী বলেন, এই গরমে রাস্তায় বের হওয়া যায় না। কিন্তু পেটের দায়ে বের হতে হয়। শরীর দুর্বল হয়ে আসে।

দিনমজুর কৃষিশ্রমিক রেজাউল করিম বলেন, মাঠে কাজ করতে গেলে মাথা ঘুরে যায়। পানি খেলেও গরম কমে না। এদিকে ঘরের ভেতরেও ভ্যাপসা গরমে শিশু ও বয়স্করা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যাচ্ছে।

জেলার তাড়াশ উপজেলায় অবস্থিত আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, আজ জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গত কয়েক দিনের তুলনায় তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে, যা তাপপ্রবাহ পরিস্থিতিকে আরও তীব্র করে তুলছে।

সিরাজগঞ্জ আবহাওয়া অফিস জানায়, এপ্রিলের শুরু থেকেই জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আ.ফ.ম. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদে বের না হওয়া, বেশি করে পানি পান করা এবং শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্নে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, টানা তাপপ্রবাহে ফসলের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে বোরো ধান ও শাকসবজিতে এর প্রভাব পড়তে পারে। কৃষকদের জমিতে সেচ বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় পরিচর্যা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ভোরের আকাশ/ র.ই

 


 

তাপপ্রবাহআ.ফ.ম. ওবায়দুল ইসলাম

শেয়ার করুন: