শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

দিনাজপুরের ধানের মাঠে জাতের মেলা

দিনাজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ৩ মে ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

দিনাজপুরের বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠের বুক চিরে এবার এক অনন্য রাইস গার্ডেন বা ধানের বাগান গড়ে তুলেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। সদর উপজেলার কাউগাঁ এলাকায় স্থাপিত এই প্রদর্শনী খামারটি এখন স্থানীয় কৃষকদের জন্য এক জীবন্ত পাঠশালায় পরিণত হয়েছে। আধুনিক ও উচ্চ ফলনশীল জাতের সঙ্গে কৃষকদের সরাসরি পরিচয় করিয়ে দিতেই ব্রির এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ২০২৫-২৬ বোরো মৌসুমের উপযোগী ব্রির উদ্ভাবিত ৫৪টি ভিন্ন জাতের ধান সারিবদ্ধভাবে রোপণ করা হয়েছে। একই জমিতে পাশাপাশি বিভিন্ন জাত থাকায় কৃষকরা সহজেই গাছের বৃদ্ধি, উচ্চতা, শিষের গঠন এবং রোগবালাই সহনশীলতা পরখ করতে পারছেন। ম‚লত মাঠ পর্যায়ে সঠিক জাত নির্বাচনের জটিলতা দ‚র করাই এ প্রকল্পের ম‚ল লক্ষ্য।

নতুন ছয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন জানান- রাইস গার্ডেন ম‚লত একটি জীবন্ত গবেষণা ক্ষেত্র। আমরা দেশের প্রায় ১৫টি প্রযুক্তি গ্রামে এমন বাগান করেছি যাতে কৃষকরা উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পেতে পারেন।

তিনি আরও জানান, ব্রি এ পর্যন্ত বোরো মৌসুমের জন্য মোট ৬১টি জাত অবমুক্ত করেছে, যার মধ্যে দিনাজপুরের মাটি ও জলবায়ু উপযোগী ৫৪টি জাত এখানে প্রদর্শন করা হচ্ছে।

দিনাজপুরে এ ধরনের উদ্যোগ প্রথম হওয়ায় প্রতিদিন শত শত কৃষক ও দর্শনার্থী ভিড় করছেন কাউগাঁর এই রাইস গার্ডেনে। কাউগাঁ গ্রামের কৃষক মো. মোমিনুল ইসলাম উচ্ছ¡াস প্রকাশ করে বলেন, আগে কখনো এক জায়গায় এত জাতের ধান দেখিনি। এখানে এসে আমি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছি আগামী বছর বোরো মৌসুমে কোন ধানটা চাষ করলে বেশি লাভবান হব।

আরও পড়ুন

নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা

দিনাজপুর ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসান জানান, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে কৃষকরা শুধু জাত নয়, বরং আধুনিক ধান চাষ প্রযুক্তির সঙ্গেও পরিচিত হচ্ছেন। তিনি বলেন, বোরো মৌসুমের এই সফলতার পর আগামী আউশ ও আমন মৌসুমেও প্রযুক্তি গ্রামগুলোতে রাইস গার্ডেন স্থাপনের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই রাইস গার্ডেন আধুনিক কৃষি গবেষণাকে ল্যাবরেটরি থেকে সরাসরি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে, যা উত্তরবঙ্গের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সুদ‚রপ্রসারী ভ‚মিকা রাখবে।

ভোরের আকাশ/ এনউব

ধানের মাঠে

শেয়ার করুন: