শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সীমান্ত দিয়ে পাট পাচার বন্ধের দাবিতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ভোরের আকাশ
ভোরের আকাশ

পাটের ন্যায্য দাম নিশ্চিত এবং সীমান্ত দিয়ে পাট পাচার বন্ধের দাবিতে কুড়িগ্রামের যাত্রাপুরে মানববন্ধন করেছেন পাট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, কৃষকের কাছ থেকে কম দামে পাট কিনে সীমান্ত এলাকায় বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। পরে এসব পাট বিভিন্ন সীমান্তপথে ভারতে পাচার করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরের দিকে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে পাটহাটে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উৎপাদন খরচ বাড়লেও স্থানীয় হাটে পাটের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। যাত্রাপুর হাটে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ সীমান্তবর্তী এলাকায় একই পাট ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এ কারণে কৃষকেরা স্থানীয় হাটে পাট না এনে সীমান্ত এলাকার ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করছেন।

পাটচাষি আবুল কাশেম বলেন, পাখিউড়া, কালারচর, চৌদ্দকুড়ি, নারায়ণপুর, শৌলমারী ও তেরিরহাট এলাকায় পাটের দাম বেশি পাওয়া যায়। তাঁর দাবি, এসব এলাকার ফড়িয়াদের মাধ্যমে কেনা পাট পরে ভারতের ধুবরি ও পাটামারিহাট এলাকায় পাচার করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত বাংলাদেশের

স্থানীয় ব্যবসায়ী উজ্জল মিয়া অভিযোগ করেন, গত জুন থেকে প্রতিদিন পাট বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাচার হচ্ছে। দ্রুত পাচার বন্ধ না হলে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ব্যবসায়ীরা।

যাত্রাপুর পাটহাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি শাহানুর আলী বলেন, একসময় এ হাটে সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার মণ পাট বেচাকেনা হতো। এখন কৃষকেরা পাট নিয়ে আসছেন না।

ভোরের আকাশ/ এনউব

মানববন্ধন

শেয়ার করুন: