সীমানা প্রাচীর না থাকায় বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ যেন গো-চারণ ভূমি

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের ৭নং শিশুয়া-বাগমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি চারপাশে সীমানা প্রাচীর না থাকায় শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠটি এখন গরু ছাগলের চারণ ভূমি হিসেবে পরিণত হয়েছে। মাঠের ভিতর ময়লা আর্বজনা ও গোবরের গন্ধে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকগণ। এতে পাঠদানে দারুণভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
জানা যায়, ১৯৬৭ সালে ৫২ শতাংশ জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। উক্ত বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ মোট ৬ জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে এবং একজন অফিস সহায়ক কাম নৈশ প্রহরী কর্মরত আছে।
বিদ্যালয়টিতে ১ম শ্রেণী হতে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত মোট ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ১ শত ২৮ জন। প্রতি বৎসর শিক্ষা বা লেখা পড়ার মান ভাল । কিন্তু বিদ্যালয়ের সম্মুখে গরু ছাগলের গোবরের খাদ ও যত্রতত্র ময়লা আবর্জনার স্তূপের দুর্গন্ধে চারিদিকের পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। এতে করে ছাত্র ছাত্রীদের লেখা পড়ার পরিবেশ বিঘ্নিত ও স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রীদের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও সীমানা প্রাচীর না থাকায় যখন তখন গরু ছাগল প্রবেশ করে ছাত্র ছাত্রীদের ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহীদুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকগণ কঠোর পরিশ্রমী , ছাত্র ছাত্রীদের লেখা পড়ার প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী। প্রতি বৎসর শিক্ষার মান ভাল।
কিন্তু বিদ্যালয়ের চারিদিকের বাড়ি ঘর ও বিদ্যালয়ের সন্মুখে খোলা মাঠে গরু ছাগলের ময়লার ভাঘারের দুর্গন্ধ এবং ময়লা আবর্জনার স্তূপ থাকার কারণে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। চারিদিকে সিমানা প্রাচীর না থাকায় যখন তখন গরু ছাগল জীব জানোয়ার মাঠে প্রবেশ করে শিক্ষার পরিবেশ দারুন ভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানান।
তিনি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে জানান । তিনি আরও জানান , বর্ষাকালে পানিতে ডুবে যায় এবং প্রতি বৎসর ২/৩ মাস স্কুল বন্ধ রাখতে হয়। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা সংস্কার প্রয়োজন।
তিনি জরুরী ভিত্তিতে উল্লেখিত সমস্যা সমাধানের জন্য উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বিভাগের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
ভোরের আকাশ/আ.র