শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

‎বৃষ্টি উপেক্ষা করে সিন্ধুরমতি মেলায় হাজারো মানুষের ঢল

‎​লালমনিরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৯ মার্চ ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি: ভোরের আকাশ
ছবি: ভোরের আকাশ

‎লালমনিরহাট সদর উপজেলার সিন্ধুরমতি তীর্থধামে তিন দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী সিন্ধুরমতি মেলা আজ শেষ দিন। বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে মেলার শেষ দিনে হাজার হাজার পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে মেলা প্রাঙ্গণ। 

বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীদের মধ্যে সিদুঁর কেনা এবং পূজার্চনার বিশেষ উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়েছে।‎​ ‎শুক্রবার (২৭ মার্চ) এই ঐতিহাসিক মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। উদ্বোধনের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের ভিড়ে জমজমাট হয়ে ওঠে সিন্দুরমতি দিঘির পাড়।‎

​মেলার শেষ দিনে সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃষ্টির কারণে মেলার মাঠে কিছুটা কাদা থাকলেও দর্শনার্থীদের উৎসাহে কোনো কমতি নেই। সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীরা মেলার প্রধান আকর্ষণ হিসেবে সিঁদুর কেনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাদের বিশ্বাস, সিন্দুরমতি দিঘির পবিত্র জল স্পর্শ ও মেলা থেকে সিঁদুর কেনা পরিবারের জন্য কল্যাণকর। মেলায় হরেক রকমের মাটির খেলনা, আসবাবপত্র, ঘর সাজানোর জিনিস এবং স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকানেও ছিল উপচে পড়া ভিড়।‎

​আয়োজক কমিটি জানায়, শত বছরের পুরনো এই মেলাটি অত্র অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক মিলনমেলা। বৃষ্টির কারণে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও শেষ দিনে জনস্রোত প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

‎​আজ সন্ধ্যায় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে উত্তরবঙ্গের এই ঐতিহ্যবাহী লোকজ উৎসব।

‎

মানুষের ঢলআসাদুল হাবিব দুলু

শেয়ার করুন: