শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজবাড়ী

হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় সদর হাসপাতালে ভর্তি ১২

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি : ভোরের আকাশ
ছবি : ভোরের আকাশ

সারাদেশের মতো রাজবাড়ীতেও বাড়ছে হামের প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। 

বর্তমানে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ জনে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে গিয়ে এ তথ্য জানা যায়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে ২ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। বর্তমানে হাসপাতালে মোট ১২ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে, রাজবাড়ী সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় ৪ জন হামে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। তারা সবাই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। 

এছাড়া, এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১১০ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে জেলা সদর ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে এসেছে। এর মধ্যে ৪৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে।

ভর্তি হওয়া এক শিশুর মা নাজমা বেগম জানান, তাদের বাড়ি ঢালার চরে। সেখানে কোনো চিকিৎসক বা চিকিৎসা কেন্দ্র নেই। তার মেয়ের ১০-১২ দিন ধরে জ্বর ছিল। পরে শহরের এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তিনি হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। 

দুই দিন ধরে তার মেয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। বর্তমানে জ্বর না থাকলেও চিকিৎসা চলছে। তবে বিভিন্ন রোগের রোগী একসঙ্গে থাকায় তিনি শিশুকে নিয়ে উদ্বিগ্ন।

আরেক অভিভাবক মিষ্টি বেগম বলেন, তার ছেলে ৫ দিন জ্বর ও সর্দিতে ভোগার পর গত ৩ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা ভালো। তবে সব ধরনের রোগী একসঙ্গে থাকায় অভিভাবক হিসেবে তিনি চিন্তিত। 

তিনি মনে করেন, রোগভেদে আলাদা ওয়ার্ডে রোগীদের রাখা হলে ভালো হতো।

ভোরের আকাশ/ র.ই


 

হামের উপসর্গমিষ্টি বেগম

শেয়ার করুন: