ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শাহাদতে নড়াইলে মানববন্ধন

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হযরত আয়াতুল্লাহ আল-উজমা সাইয়্যেদ আলী হোসাইনী ইমাম খামেনেয়ী (রহ.)-এর শাহাদাত বরণে নড়াইলে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে মানব বন্ধন, বিক্ষোভ ও শোকযাত্রা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় নড়াইল প্রেসক্লাবের সামনে জেলার উজিরপুর মসজিদ আল আবু তালিব (আ.)-এর পক্ষ থেকে এই শোক প্রকাশ করা হয়। মানববন্ধন কর্মসূচিতে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ দুই শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইমাম খামেনেয়ীর মৃত্যুতে মুসলিম উম্মাহ একজন বলিষ্ঠ অভিভাবক ও আধ্যাত্মিক নেতাকে হারালো। তার এই শাহাদাত বরণের খবরে স্থানীয় মুসলিমদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত মুসলিম উম্মাহর প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন তাঁর হত্যাকারীদের শাস্তির দাবি জানান।
মানববন্ধনে উপস্থিত পারভীন সুলতানা বলেন, ইমাম খামেনেয়ীর ইসলামের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। সেই সাথে একটি স্কুলের,ছোট ছোট বাচ্চাদের কেন হত্যা করা হল এর বিচারের দাবিতে আমরা এখানে সমাবেত হয়েছি।ইরানে এখনও পর্যন্ত হামলা চলছে। কিসের জন্য তারা এভাবে হামলা চালাচ্ছে। একটি মুসলমান দেশের প্রতি কেন এ হামলা এর প্রতিবাদে আমরা সমাবেত হয়েছি।
উজিরপুর মসজিদ আল আবু তালিব (আ.) মসজিদের ইমাম মাওলানা ইয়ানুর হুসাইন বলেন, ইজরাইল কর্তৃক মুসলিম নেতা ইমাম খামেনেয়ীর হত্যার প্রতিবাদে আমরা নড়াইল পেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা সিয়া সুন্নি এক মত পোষন করে আমেরিকা ও ইজরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এটি।
আমেরিকা ইসরাইলকে সতর্ক করে তিনি আরো বলেন, আমেরিকা ইজরাইল তোমরা সাবধান হয়ে যাও। যা যা করেছো সতর্ক হয়ে যাও। মুসলমানের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে লাভ হবে না। আজ আমরা আমাদের নেতাকে হারিয়েছি।শরীলে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আমরা এই শহীদেরকে ভূলে যাব না।
আজ আমেরিকার বিভিন্ন খাটি উড়িয়ে দেওয়াকে স্বাগত জানিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। তিনি আমাদের শিকিয়ে গেছে কি ভাবে জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই করে জীবন জাপন করতে হয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিভাবে প্রতিবাদ করতে হয়। ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মাওলানা ইয়ানুর হুসাইন,মাওলানা মো. ওহিদুল ইসলাম,জয়নুল আবেদীন,রেশমা খাতুন,পারভীন সুলতানা,জাকির হোসেন, প্রমুখ।
মানববন্ধন শেষে একটি শোকযাত্রা বের করা হয়।শোকযাত্রাটি নড়াইল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুচিপোল চত্বরে এসে শেষ করেন৷
ভোরের আকাশ/ র.ই