ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৯ বছরের শিশুকে চিপসের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চিপস দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৯ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে শিশুটিকে গোসল করিয়ে বাড়ির সামনে রেখে যায় অভিযুক্ত। সরাইল উপজেলার তেলিকান্দা উত্তরপাড়া গ্রামের সৌদি প্রবাসীর ওই মেয়ে শিশু স্থানীয় একটি মাদরাসার মক্তব বিভাগের ছাত্রী।
শনিবার (২৩ মে) দুপুরে উপজেলার তেলিকান্দা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী ওই শিশুকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সহিদ মিয়া পলাতক রয়েছে। সে একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে।
ভুক্তভোগী ওই শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো শনিবার দুপুরে শিশুটি বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী সহিদ মিয়া শিশুটিকে চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে ফুসলিয়ে দূরবর্তী নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে সেখানে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
এ সময় ঘটনাটি কাউকে জানালে শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে অভিযুক্ত সহিদ নিজেই ওই শিশুকে নদীতে গোসল করিয়ে বাড়ির সামনে রেখে যায়। এক পর্যায়ে শিশুটি অসুস্থতা বোধ করলে সে পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনজুর কাদের ভূইয়া বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্তকে আটকে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। তবে বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় পুলিশ দ্রুত অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রিপোর্ট পেলে প্রকৃত বিষয়টি বলা যাবে।
ভোরের আকাশ/সু.পা