শিরোনাম
বিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রীবিদেশি সহায়তা নয়, বাংলাদেশ এখন নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগবাংলাদেশে হামের প্রকোপ ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি ও পোলিও প্রাদুর্ভাবের ‘সতর্কতা’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়লেও কমেছে শিক্ষার্থীবিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেইকক্সবাজারে আগুন: ডিএনএ পরীক্ষায় নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, এখনো নিখোঁজ ১অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন: রেলমন্ত্রীনিপ্পন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের নৈশভোজে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাগেরহাটে কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলন, সুবিধাবঞ্চিত ব্যবসায়ীরা

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ছবি- ভোরের আকাশ
ছবি- ভোরের আকাশ

বাগেরহাট সদর উপজেলার কররী সি অ্যান্ড বি বাজারে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন মৎস্য আড়ত প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। 

নির্ধারিত সময় পার হলেও কাজ এখনো অসম্পূর্ণ। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কাজ শেষ না করেই সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে প্রকল্পের বিল উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন আড়তের প্রত্যাশিত সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় “টেকসই উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন” প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই আড়ত নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আরসিসি সড়ক, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার কথা ছিল।

সরেজমিনে দেখা যায়, আড়তের বিভিন্ন স্থানে নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণ পড়ে আছে। কোথাও ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর, কোথাও রাস্তার কাজ শেষ হয়নি। কিছু স্থানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রকল্পের ডিজাইন অনুযায়ী কাজ হয়নি। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে দায়সারা কাজ করা হয়েছে। বারবার আপত্তি জানালেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে অর্থের ‘হরিলুট’ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

আরেক ব্যবসায়ী বলেন, শুরু থেকেই নানা অনিয়ম ছিল। একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কাজের মান ঠিক করা হয়নি। এখনো আমরা কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাইনি।

বর্তমান ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জানান, এখনো প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে পাননি তারা। প্রকল্পের নথিপত্র বা বাস্তব অগ্রগতির বিষয়েও তাদের কিছু জানানো হয়নি।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক হেমায়েত হাওলাদার হিমু বলেন, তাকে কিছু না জানিয়েই ওই পদে বসানো হয়েছে। প্রকল্পের কোনো বিষয়ে তাকে সম্পৃক্ত করা হয়নি। তার দাবি, কিছু অনিয়ম হয়েছে এবং পুরো প্রকল্প সভাপতি ও মৎস্য অফিসের কারসাজিতে পরিচালিত হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাগেরহাট সদর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি। নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করেই কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

অন্যদিকে জেলা মৎস্য অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজ কুমার বিশ্বাস বলেন, যদি কোনো সমস্যা বা গাফিলতি থেকে থাকে, তার দায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির ওপরই বর্তায়।

এদিকে কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। 

ভোরের আকাশ/আ.র

নির্মাণাধীন মৎস্য আড়ত

শেয়ার করুন: