২৫ মার্চ একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে ঝিনাইদহে আলোর মিছিল

২৫ মার্চের ভয়াল কালরাত্রি স্মরণ ও একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দাবিতে ঝিনাইদহের সাংস্কৃতিক কর্মীরা শহরের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সৌধের শহীদ বেদিতে 'আলোর মিছিল' কর্মসূচিতে সমবেত হয়। ২৫ মার্চ বুধবার রাত ৮ টায় ঝিনাইদহ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সৌধ পার্কে আলোর মিছিল, আলোক প্রজ্জ্বলন ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শহীদদের স্মরণে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস পালনের আহ্বান জানিয়ে কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ঝিনাইদহ জেলা সংসদের সহ সভাপতি দীলিপ ঘোষ, ঝিনেদা থিয়েটার সভাপতি একরামুল হক লিকু, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ টপি, সাংবাদিক সুজন বিপ্লব, আবৃত্তিকার জান্নাতুল মাওয়া, স্বাধীন থিয়েটার সাধারণ সম্পাদক আল কায়েম স্বাধীন, নৃত্য শিল্পী শোভন সাহা সবুজ প্রমুখ। মুক্তিযুদ্ধের চার মূলনীতি, সংবিধান, পতাকা ও জাতীয় সংগীত সুরক্ষার চলমান আন্দোলনে সোচ্চার হওয়ার শপথ নিয়েছেন ঝিনাইদহ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সৌধে উপস্থিত সাংস্কৃতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
আয়োজিত কর্মসূচিতে এসময় বক্তারা বলেন,১৯৭১ সালের গণহত্যা জাতিসংঘের গণহত্যার সংজ্ঞার সাথে সুস্পষ্টভাবে মিলে যায়, কিন্তু জাতিসংঘ এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি।
স্বাধীনতার পঁচান্ন বছর পরও বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না হওয়ায় বিক্ষুব্ধ সাংস্কৃতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, অবিলম্বে একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাই। অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার বিরোধী রাজনৈতিক দল, ঘাতক যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, পাকিস্তানী সেনাবাহিনী ও শাসকদের কোন ক্ষমা নেই।
ভোরের আকাশ/এসএইচ