কুলাউড়া-রবিরবাজার সড়কে নির্মানাধীন ব্রিজের গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত

কুলাউড়া-রবিরবাজার সড়কে ডাইভারশন ছাড়াই অপরিকল্পিতভাবে নতুন একটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলাকালীন সময়ে গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত রয়েছে। এতে এই সড়কের যানবাহনগুলোকেও দীর্ঘ পথ ঘুরে বিকল্প সড়কে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
এই রুটে যোগাযোগ ব্যবস্থা রবিবার সকাল থেকে রাত ৮ টা পযন্ত স্বাভাবিক হয়নি। ব্রিজের ধসে যাওয়া অংশের জরুরী মেরামত কাজ চলমান থাকায় বিকল্প সড়কের যাতায়াতের কারনে এ সড়কে যাতায়াত ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে।
কুলাউড়া- রবিরবাজার সড়কের এন.সি স্কুল চৌমুহনীর নিকটবর্তী ব্রিজে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারের অবহেলার কারণে ডাইভারশন ছাড়াই কাজ করায় এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহনকে চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
জানাগেছে, কুলাউড়া পৌরশহরের এন.সি স্কুল চৌমুহনীর নিকটবর্তী রবিরবাজারমুখী ব্রিজে ডাইভারশনের ব্যবস্থা না করে প্রায় অর্ধকোটি টাকার চলমান একাজ চলছে প্রায় ছয় মাস থেকে। ৩৩ ফুট দৈঘ্যের ব্রিজটি নির্মাণে বিকল্প পথে চলাচলের ব্যবস্থা না করে প্রথম পর্যায়ে অর্ধেক কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ডাইভারশন নাকরে প্রথম ধাপের শেষ হওয়া অংশে যোগাযোগ চালু করে দ্বিতীয় ধাপের বাকী কাজ শুর হয় ৪/৫ দিন থেকে। দ্বিতীয় ধাপে কাজ শুরু হলে শনিবার রাতে বৃষ্টির পানি ও উজানের ঢলে গাইডওয়াল ও মাটি ধসে যায়। এতে রবিবার সকাল থেকে এই সড়কে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে।
পথচারী রাজু আহমদ, আব্দুল কাইয়ুম জানান, ব্রিজের কাজ ডাইভারশন ছাড়া চলছে কয়েকমাস থেকে। অর্ধেক ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহনের চলাচলে দুর্ঘটনা আশঙ্কা রয়েছে। মাটি ও গাইডওয়াল ধসের কারনে ব্রিজে দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিকল্প সড়কে যাতায়াত করায় অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে।
সিএনজি চালক রহিম জানান, ব্রিজের অল্প অংশে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালাতে হয়। ব্রিজ বন্ধ করায় বিকল্প পথে চলাচলের কারনে কিছুটা ভাড়া বেশি নিতে হচ্ছে।
কাজ সম্পাদনকারী প্রতিষ্টান আরকে কনস্ট্রাকশন ঢাকার সাইড সাইট টিকাদার ডিপু আহমদ জানান, ব্রিজের কাছে পর্যাপ্ত জমি না থাকায় ডাইভারশন করা সম্ভব হয়নি। ধসে যাওয়া এলাকা মেরামতের কাজ চলামান আছে। রাতের মধ্যে কাজ শেষ করা হবে।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সার্কেলের উপসহকারী প্রকৌশলী আক্কাস আলী বলেন, নির্মানাধীন ব্রিজটির জন্য ডাইভারশন করা হয়নি জমি সল্পতার কারনে। ধসে যাওয়া অংশের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হচ্ছে।
ভোরের আকাশ/এনউব